জুমবাংলা ডেস্ক: ভারতের আবহাওয়া দফতর বলেছে, সমুদ্রে বুলবুলের গতিবেগ বেশি থাকলেও, স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় তার গতি কমবে।
কিন্তু যেভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বুলবুল, তাতে মনে করা হয়েছে স্থলভাগে আছড়ে পড়লেও, গতি হবে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। শেষ মুহূর্তে যদি শক্তি বৃদ্ধি পায়, তা হলে ১৩৫ কিলোমিটার গতিতেও তা পৌঁছে যেতে পারে।
ভারতের আবহবিজ্ঞান বিভাগের ঘূর্ণিঝড় বিভাগের প্রধান বিজ্ঞানী মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, “এই ধরনের ঘুর্ণিঝড় অনেকটা জায়গা জুড়ে আ’ঘা’ত হানে। বুলবুলও অনেকটা জায়গা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপকূলে আ’ছ’ড়ে পড়বে। এখনও পর্যন্ত যা গতি প্রকৃতি বোঝা যাচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে সুন্দরবন এবং তার আশপাশেই বুলবুলের আছড়ে পড়বে।”
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের অগ্রবর্তী অংশ সুন্দরবনের দুবলার চর এলাকায় আ’ঘা’ত হা’ন’তে শুরু করেছে। দুবলার মাঝেরচর থেকে জেলেরা মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ১০/১৫মিনিট ব্যাপী ঝড়োবাতাস বয়ে গেছে।
দুবলা ফিশার মেন গ্রুপের হিসাব রক্ষক ফরিদ আহমেদ, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর দুপুরে সিডর এভাবেই প্রথমে আ’ঘা’ত হা’নে এবং বিকাল থেকে তা প্রায় ২০০ কিলোমিটার গতিবেগে দুবলার চরের জেলে পল্লী গুলো ত’ছ’ন’ছ করে দেয়। সিডরের মতই বুলবুলের গতি প্রকৃতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
শনিবার দুপুর দুটো নাগাদ ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে দূরত্ব বাড়িয়ে তা ক্রমশই সুন্দরবনের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের অনুমান, শনিবার রাত ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে অতি ভ’য়’ঙ্ক’র ঘূর্ণিঝড়টি আ’ছ’ড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



