
এর আগে মাঠে শুয়ে ব্যাথায় কাতর হয়ে পড়েছিলেন কিছুক্ষণ। কিন্তু ছয় উইকেট পড়ার পর দলের কঠিন সময়ে বসে থাকতে পারেননি। আবার ব্যাট হাতে আবার নেমে পড়েন ক্রিজে। সর্বোচ্চ ৪৭ রান করলেও মাঠের মধ্যে থেকে জয় ছুঁতে পারেননি তিনি।
বৃষ্টি শুরু হলে কিছুক্ষণের জন্য খেলা বন্ধ থাকে। আবার ম্যাচ শুরু হলে জয় তুলে আকবররা যখন বিজয়োল্লাস করছিলেন, তীব্র ব্যথায় ইমন তখন ড্রেসিং রুমে কাতরাচ্ছিলেন।
ইমন বলেন, ‘সবাই মাঠে ছুঁটে চলে গেল। আমি তখন যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছি। ড্রেসিং রুমে বসেছিলাম। সারারাত সবাই জয়ের উৎসব করেছে। পায়ের ক্র্যাম্পের জন্য আমি খুব বেশি কিছু করে উঠতে পারিনি।’
উল্লাসে লাফালাফি করতে না পারলেও ইমনের বেজায় আনন্দ ছিল মনে। আনন্দের তীব্র উত্তেজনা ছিল চেহারা স্পষ্ট। ম্যাচে তীব্র ব্যথা নিয়ে যে ইনিংসটি তিনি খেলেছেন সে ব্যাপারে এই যুবা ব্যাটসম্যান বলেন, ‘এটাই আমার জীবনের সেরা ইনিংস। পঞ্চাশ করতে পারিনি। তবে তাতে কোনো আক্ষেপ নেই। দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোর পিছনে আমারও যে অবদান রয়েছে, তা ভেবে খুব ভাল লাগছে।’
এত ব্যথা নিয়ে ব্যাটিং কীভাবে সম্ভব হয়েছে? এ প্রশ্নের উত্তরে ইমন বলেন, ‘আমি যখন ১৫ রানে ব্যাট করছি, তখনই টের পাচ্ছিলাম যন্ত্রণা হচ্ছে। ২৫ রান করার পরে আর টানতে পারলাম না। মাঠেই শুয়ে পড়ি। ভাবলাম আধ ঘণ্টা যদি বিশ্রাম নিই, তা হলে হয়তো পরে ব্যাট করতে পারব। এ দিকে একের পর এক উইকেট যখন যাচ্ছে, তখন আর ডাগ আউটে বসে থাকতে পারলাম না। নেমেই পড়লাম ব্যাট হাতে।’
ইমন আরও বলেন, ‘পায়ে ক্র্যাম্প থাকায় ঠিক মতো শট খেলতে পারছিলাম না। দৌড়তেও ভীষণ কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু মনকে বলছিলাম, আমাকে পারতেই হবে। এ রকম সুযোগ বার বার পাওয়া যাবে না।’
গতকাল ভারতকে তিন উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতে বাংলাদেশ। শরীফুল-অভিষেকদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন আকবর আলী ও ইমন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


