বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

সমান্তরাল মহাবিশ্ব শনাক্তের দাবি নাসার



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক : যেখানে সময় পেছনের দিকে চলে, পদার্থবিদ্যার নিয়ম আমাদের থেকে উল্টো-এমনই একটি ‘সমান্তরাল মহাবিশ্ব’ থাকার কিছু প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। যেটিকে বলা হচ্ছে পৃথিবীর খুব কাছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি স্টার জানিয়েছে, অ্যান্টার্কটিকার একটি অঞ্চলে গবেষণা করে ওই মহাবিশ্বের ‘প্রমাণ’ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

সমান্তরাল মহাবিশ্বের থিওরিতে প্রায়ই বলা হয়, বিগ ব্যাং বিস্ফোরণের সময় দুটি মহাবিশ্ব গঠিত হয়েছিল। সেই রহস্যময় আরেকটি মহাবিশ্ব সিনেমা, টিভিতে মাঝে-মাঝে দেখা গেলেও বিজ্ঞানীরা এর নিশ্চয়তা এখনো দিতে পারেননি।

এটি নিয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয় ১৯৫২ সালের দিকে। কোয়ান্টাম সায়েন্সের পথিকৃৎ এরউইন শ্রোডিঙ্গার একটি লেকচারে এই মহাবিশ্বের কথা বলেন।

এখন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, মহাজাগতিক রশ্মি শনাক্তকরণ পরীক্ষায় এমন কণা দেখা গেছে, যা আমাদের মহাবিশ্বের বাইরে থেকে এসে থাকতে পারে।

এই পরীক্ষার জন্য অ্যান্টার্কটিকার উপরে এমন একটি অঞ্চলকে বেছে নেয়া হয়, যেখানে ফলাফল বিকৃত হতে পারে এমন কোনো রেডিও নয়েজ নেই বললেই চলে।


বায়ু অঞ্চলে সূক্ষ্ম ইলেক্ট্রনিক অ্যান্টেনা টানতে নাসার অ্যান্টার্কটিক ইমালসিভ ট্রাঞ্জিয়েন্ট অ্যান্টেনা (এএনআইটিএ) দিয়ে বিশালাকৃতির একটি বেলুন ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞানীদের দাবি, সেখানে ধারাবাহিকভাবে উচ্চ শক্তি কণার বায়ুপ্রবাহ আসতে থাকে। এমন প্রবাহ মানুষ নিজেরা যতটা সৃষ্টি করতে পারে, এগুলো তার থেকে কয়েক মিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী!

স্বল্প শক্তির কণা নিউট্রিনো (ভরহীন বিশেষ মৌলকণা) পৃথিবীর ভেতর দিয়ে সম্পূর্ণভাবে যেতে পারে, যেটি পৃথিবীর পদার্থের ওপর প্রভাব রাখতে পারে। কিন্তু শক্ত কোনো পদার্থ ভেদ করতে পারে না। আবার উচ্চ শক্তির কণা পৃথিবীর শক্ত পদার্থে বাধা পায়।

এর অর্থ হল উচ্চশক্তির কণাগুলো শুধুমাত্র পৃথিবীর বাইরে থেকে এসে ধরা পড়তে পারে। এই কণা সময়ের বিপরীতে চলে।

অদ্ভুত এই গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াইয়ের পিটার গোরহাম। তিনি বলছেন, ‘এটি শুধুমাত্র তখনই ঘটতে পারে, যখন কণা পৃথিবীর ভেতর দিয়ে যাওয়ার আগে ধরন বদল করে অন্য কণায় রূপান্তরিত হয়। পরে আবার সেটি ফিরে যায়।’

২০১৪ সালে সায়েন্টিফিক আমেরিকান জার্নালে সমান্তরাল মহাবিশ্বের ধারণা দিতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বলেন, ১৫ বিলিয়ন বছর আগে আমাদের এই মহাবিশ্ব একটি অসীম অথবা অতি ক্ষুদ্রাকার ভরসম্পন্ন অতি উত্তপ্ত বিন্দুতে পুঞ্জীভূত ছিল। পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় সিঙ্গুলারিটি।

এরপর মাত্র এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ঘটে বিরাট ও অকল্পনীয় এক বিস্ফোরণ। সেখান থেকে দুটি মহাবিশ্ব গঠিত হয়ে থাকতে পারে। একটি আমাদের। অন্যটি আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে বিপরীত গতিতে চলে।

যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : http://bit.ly/2FQWuTP

আরও পড়ুন

এই মাসেই বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ

Sabina Sami

ফেসবুক থেকে ছবি ডিলিট করার নতুন ফিচার

Shamim Reza

২১ জুন বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ

Shamim Reza

করোনাভাইরাস : যেভাবে বদলে যাচ্ছে ক্লিনিং-এর প্রযুক্তি

Sabina Sami

টাক মাথাওয়ালারা রয়েছে বাড়তি করোনার ঝুঁকিতে : গবেষণা

Sabina Sami

কিছু মানুষ কখনোই করোনায় আক্রান্ত হবে না : গবেষণা

Sabina Sami