Views: 27

বিভাগীয় সংবাদ ময়মনসিংহ

সাংবাদিককে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে দুই পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা


ছবি-সংগৃহীত
জুমবাংলা ডেস্ক : দৈনিক ময়মনসিংহ প্রতিদিন পত্রিকার সম্পাদক খায়রুল আলম রফিককে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা সংস্থা ডিবি পুলিশের এসআই আক্রাম হোসেন ও জুয়েল নামের এক পুলিশ সদস্যসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জন উল্লেখ করে জেলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ বাহাদুরের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের পক্ষে আইনজীবী এ্যাডভোকেট খায়ের আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারন) আইন ২০১৩ এরে ১৩(১), ২(খ), ১৫ (১) ও ১৫ (৩) ধারায় এই মামলা করা হয়।

বিজ্ঞ আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে বাদী সাংবাদিক খায়রুল আলম রফিকের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, এসআই আকরাম হোসেন তাকে আটক করে হেফাজতে রাখার নামে নির্যাতন চালায় যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। আক্রামের যোগসাজশে ষড়যন্ত্রমূলক ৩টি মামলায় গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘ দুই মাস থাকতে হয় ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে। এরআগে তার চোখ বেঁধে নির্যাতন করে এসআই আকরাম হোসেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এসআই আকরামের বিরুদ্ধে সাংবাদিক রফিক ইতোমধ্যে পুলিশের ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং’ সেলে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। যার অভিযোগ নম্বর SL-17 এবং তারিখ ৫ই জানুয়ারি ২০২১।


অভিযোগ পত্রে তিনি জানান, ২০১৮ সালের ২৯ নভেম্বর রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেইটের বিপরীত দিকে আমি অবস্থান করছিলাম। এসআই আকরামের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ আমার চোখ বেঁধে একটি কালো গাড়িতে করে আমার পত্রিকার কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে থাকা আমার জমি ক্রয়ের দলিল, ব্যাংকের চেক ও কম্পিউটার জব্দ করে। দলিল ও ব্যাংক চেক প্রতিপক্ষের কাছে তুলে দিয়ে জব্দ দেখানো হয় শুধু কম্পিউটার। সেখান থেকে আমাকে নেয়া হয় ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র পুরাতন গুদারাঘাটস্থ দুর্গম চর এলাকায়। দুচোখ বেঁধে দু হাত পেছনে বেঁধে নির্যাতন চালানো হয়।

কিন্তু দুই বছর পরে কেন বিষয়টি সামনে এনেছেন এমন প্রশ্নে সাংবাদিক রফিক জানান, তিনি ঘটনাটি চক্ষু লজ্জার কারণে সামনে আনতে পারেননি এতদিন। তিনি জানান, গত বছরের ডিসেম্বরের ২২ তারিখে অজ্ঞাত কোন এক ব্যক্তি তার ম্যাসেঞ্জারে চোঁখ বাঁধা ছবি প্রদান করেন। যা দেখে তিনি আতঁকে উঠেন এবং সেই সব নির্যাতনের দৃশ্যগুলো চোখের সামনে ভাসতে শুরু করে। এর পরপরই তার এই ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হতে শুরু করে। একারণেই দুইবছর পর মুখ খুললেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ওনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ দিয়েছে তা আমি এখনও দেখি নাই। আপনার কাছ থেকেই শুনলাম। তবে এর আগেও ২০১৮ সালে তিনি (খায়রুল আলম রফিক) আমার নামে একটি অভিযোগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় দিয়েছিল। সেটা পুলিশ হেডকোয়ার্টাস হয়ে আমাদের ময়মনসিংহে এসেছিল। এখানে আমার সিনিয়র যারা আছেন তারা বিষয়টি তদন্ত করেছে। তৎকালীন সময়ে আমার বিরুদ্ধে করা তার (খায়রুল আলম রফিক) কোন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। তাই আমার বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নিতে পারেনি আমার সিনিয়ররা। ওনার (খায়রুল আলম রফিক) সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। ওনি কেন এসব করছে জানি না। আর আমি ওনাকে কোন মামলায় আটকও করিনি। আর আমার বিরুদ্ধে যদি মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজস থাকে সেটা প্রমাণিত হলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে এতে আমার কোন আপত্তি নেই।’


যাদের বাচ্চা আছে, এই এক গেইমে আপনার বাচ্চার লেখাপড়া শুরু এবং শেষ হবে খারাপ গেইমের প্রতি আসক্তিও।ডাউনলোডকরুন : https://play.google.com/store/apps/details?id=com.zoombox.kidschool



আরও পড়ুন

মেহেরপুর ও লালমনিরহাটে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

mdhmajor

রাজশাহীতে শীতার্তদের হাতে কম্বল তুলে দিলেন আরএমপি কমিশনার

mdhmajor

গৃহবধূর কান ছিঁড়ে দুল নিয়ে দৌড়, ধরল পুলিশ

Shamim Reza

মিসাইল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে নৌবাহিনীর বাৎসরিক সমুদ্র মহড়া সমাপ্ত

mdhmajor

দিনাজপুরের আখিরা পুকুরপাড় বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

azad

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করছিলো মাজারুল, গোঙানির শব্দ শুনে উদ্ধার

Shamim Reza