in

এবার ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো দক্ষিণ কোরিয়া

প্রতীকী ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়া বুধবার সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণ যোগ্য একটি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। ডুবোজাহাজ থেকে এটি ছিল তাদের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। এর মধ্যদিয়ে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে সিউল বিশ্বে সপ্তম দেশের তালিকায় উঠে আসলো এবং এতে আঞ্চলিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর এএফপি’র।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, পারমাণবিক ক্ষমতাধর দেশ উত্তর কোরিয়া সাগর অভিমুখে দু’টি ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানো হয়। প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইন এটি পর্যবেক্ষণ করেন। উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পরপরই ওয়াশিংটন পিয়ংইয়ংয়ের এমন কর্মকা-কে এশিয়ার প্রতিবেশি দেশগুলোর প্রতি উস্কানিমূলক ‘হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পরীক্ষা হচ্ছে সিউলের জন্য একটি কৌশলগত অগ্রগতি। তারা উত্তর কোরিয়ার দেয়া হুমকি মোকাবেলায় তাদের সামরিক সক্ষমতা শক্তিশালী করে আসছে। পিয়ংইয়ং তাদের পরমাণু অস্ত্র ও ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একই দিন দুই কোরিয়া ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর পর ইয়নসি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক জন ডিলুরি এএফপি’কে বলেন, ‘নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে সকলের মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন এমনটা মনে করলে তা আঞ্চলিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: বাসস