সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার সদ্য সাবেক সভাপতি ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আব্দুল মালিক। তিনি সবার কাছে এমএ মালিক নামে পরিচিত।

এম এ মালিক ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫০ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুসলেহ উদ্দীন পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৬৭৪ ভোট।
গতকাল শুক্রবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি। আমি টু মাচ এক্সাইটেড। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমি স্বপ্নের মধ্যেই আছি- পাবলিক যে এতো রেসপন্স করেছে তা অভাবনীয়। এর পেছনে আমার দল আমাকে সহযোগিতা করেছে, আর বিশেষ করে ধানের শীষ প্রতীক তো ছিলোই। সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া আমাকে দেশে থেকে মানুষের সেবা করার জন্য বলেছিলেন, আমার দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মিলে আমাকে ধানের শীষ প্রতীক দিয়েছেন, যে কারণেই মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে। এলাকার মানুষের সেবায় আমি নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন। এটা বিশ্বাস করে তারেক রহমানের সাথে গত ১৯ বছর ধরে আমি একসাথে ছিলাম। আমি হয়তো এলাকার উন্নয়ন করতে পারবো, এই বিশ্বাস নিয়ে এলাকাবাসী আগ্রহী হয়ে আমাকে ভোট দিয়েছে।
অবহেলিত দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জের নির্মাতা হিসেবে নিজেকে আবিষ্কার করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি কাজ করে যাব, একজন বিল্ডার হিসেবে, পাঁচ বছরে ইনশাআল্লাহ এই অঞ্চল হবে মিউজিয়ামের মতো পর্যটনসমৃদ্ধ একটি এলাকা। এটা আমার ড্রিম।
দক্ষিণ সুরমার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, কারিগারি শিক্ষার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নসহ নারীদের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। এই ক্ষেত্রে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার সঙ্গে উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।
আরও পড়ুনঃ
এম এ মালিক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তাঁরা দেশে ফিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তৎপর হন। এম এ মালিক দীর্ঘ ১৯ বছর পর গত ১৭ অক্টোবর দেশে আসেন। এর আগে প্রবাসে থেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কথা বলায় ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল তাঁর গ্রামের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। তিনি প্রবাসে আওয়ামী লীগ ও দলটির সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নিয়মিত বক্তব্য ও বিবৃতি দিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে আলোচিত হয়েছেন। পটপরিবর্তনের পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি এলাকার মানুষের ভালোবাসায় জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলেন।
সূত্র: বাসস
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


