সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি এখন বিশ্বব্যাপী এক বড় সমস্যা। মানসিক স্বাস্থ্য, উৎপাদনশীলতা ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। গত সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
এই পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক চলছে, তবে এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, রেডিট ও এক্সের মতো মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে বাস্তব জীবনের মিথস্ক্রিয়া কমে যায় এবং উদ্বেগ, একাকিত্বসহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যা বাড়ে। তাই প্রয়োজন ডিজিটাল বিশ্রামের। জেনে নেওয়া যাক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি কমানোর কিছু ডিজিটাল ডিটক্স কৌশল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরতি প্রয়োজন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা আমাদের মানসিক ও দৈনন্দিন জীবনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। নোটিফিকেশন চেক করা, ফিড দেখা ও অন্যের জীবনের সঙ্গে নিজের তুলনা করার অভ্যাস থেকে ফোমো বা ফিয়ার অব মিসিং আউট ও একাকিত্বের মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরতি নেওয়া এই অভ্যাস থেকে বেরিয়ে এসে আরও অর্থবহ ও সচেতন জীবনের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
ডিজিটাল ডিটক্স কৌশল: প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসক্তি কমানো
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের আসক্তি কমানোর প্রথম ধাপ হলো নিজের অভ্যাস বোঝা। অ্যাপল ও গুগলের স্মার্টফোনে এই কাজের জন্য রয়েছে বিশেষ সুবিধা।
অ্যাপলের স্ক্রিন টাইম: আইফোন ব্যবহারকারীরা এই সুবিধার মাধ্যমে কোন অ্যাপে কত সময় ব্যয় করা হয়েছে, ফোন আনলকের সংখ্যা ও দৈনিক ব্যবহার বিশ্লেষণ করতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহারের জন্য সময়সীমা নির্ধারণের সুবিধাও রয়েছে।
গুগলের ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং: অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং সুবিধাটি স্ক্রিন টাইম ও অ্যাপ ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।