
সোমবার বিকালে যশোর সার্কিট হাউসে যশোর ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এবং মহেশপুর পৌরসভার নির্বাচন নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেন, যশোর, কালীগঞ্জ ও মহেশপুর পৌরসভায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং অফিসারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলাম। তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে। এ তিনটি পৌরসভায় ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে মঙ্গলবার।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের এনডিসি, যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান, ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, যশোরের পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মুনতাসিরুল মামুন, খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার ইউনুচ আলী, যশোরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ও যশোর পৌরসভার রিটার্নিং অফিসার হুমায়ুন কবীর, ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসার মো. রোকনুজ্জামান, মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও মহেশপুর পৌরসভা রিটার্নিং অফিসার শাশ্বতী শীল।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত ৯ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতের এক আদেশে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে মামলা জটিলতা কাটলেও নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। ফলে পূর্বনির্ধারিত তারিখে ভোটগ্রহণ হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



