অবসর ও কল্যাণ ভাতা পেতে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবেদন নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা, জনবল ও বাজেট ঘাটতি, তথ্যগত অসঙ্গতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার কারণে এক লাখের বেশি আবেদন ঝুলে রয়েছে। এ অবস্থায় সেবা সহজ করতে দুই সংস্থাকে একীভূত করা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদারের প্রস্তাব দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

অবসর ও কল্যাণ ভাতা

Advertisement

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সুপারিশ প্রণয়নের জন্য গঠিত কনসালটেশন কমিটির খসড়া প্রতিবেদনে এ প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা নিশ্চিত করার একটি বিশেষ সংস্থা। অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের বর্তমান সেবাপ্রদান প্রক্রিয়ায় তীব্র দীর্ঘসূত্রিতা পরিলক্ষিত হচ্ছে, যার ফলে বর্তমানে কল্যাণ ট্রাস্টে ৪৪ হাজার এবং অবসর বোর্ডে ৭৫ হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

একজন শিক্ষক অবসরের পর আবেদন করলে সেই অর্থ পেতে অবসর বোর্ড থেকে প্রায় ৪ বছর এবং কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ৩ বছর সময় লেগে যাচ্ছে। এছাড়া এনআইডি ও শিক্ষক তালিকাভুক্তি তথ্যে অসঙ্গতি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় থাকার মতো কারিগরি জটিলতা শিক্ষকদের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ নির্ধারিত সময়ে সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও বাজেটের তীব্র ঘাটতি যেমন রয়েছে, তেমনি বিভিন্ন পর্যায়ে দুর্নীতির অভিযোগও বিদ্যমান।

রাজবাড়ীতে ভোটকেন্দ্র থেকে সিসি ক্যামেরা চুরি

প্রতিবেদে বর্তমান ব্যবস্থায় একই শিক্ষককে ‘অবসর সুবিধা’ ও ‘কল্যাণ সুবিধা’ পাওয়ার জন্য দুটি পৃথক সংস্থার কাছে আলাদা আবেদন করতে হয়, যা সেবা প্রক্রিয়াকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে জটিল, দীর্ঘসূত্রতা-প্রবণ ও ব্যয়বহুল করে তুলছে বলে উল্লেখ করা হয়।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Md Elias is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency across digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and reader-focused reporting.