
জুমবাংলা ডেস্ক : দেড় বছর ধরে প্রতিবেশীর সঙ্গে চলছিল মামলা। আর ওই মামলার রেশ ধরে সৃষ্ট বিরোধকে সামনে রেখে চাচাতো চাচার বাড়ির রান্না ঘরে আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারাল অস্ত্র রেখে সুকৌশলে সংবাদ দেওয়া হয় পুলিশকে। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল। তারা অস্ত্রের মূল মালিককে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি রহস্যও উদ্ঘাটন করতে সমর্থ হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের পুইজোর গ্রামের মো. মোতালেব মন্ডলের ছেলে মো. ইসলাম মন্ডল (৩৫) ও মৃত আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে মো. হামিদুর মিয়া (৪০)।
পাংশার ওসি মাসুদুর রহমান জানিয়েছেন, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় জেলাকে মাদক, সন্ত্রাস জঙ্গিবাদমুক্ত করাসহ অবৈধ অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের লক্ষে তারা পাংশা মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই মাঝে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে জনৈক মো. ইসলাম মন্ডল ও মো. হামিদুর মিয়া পুলিশকে সংবাদ দেয় পাংশার পুইজোর গ্রামের শাহাদাত মন্ডলের ছেলে বাবু মন্ডলের (৪৮) বাড়ির রান্না ঘরের খড়ির চালার মাঝে অস্ত্র ও রামদা রয়েছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে এবং তাদের উপস্থিতিতে রান্না ঘর থেকে ১টি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার গান ও ১টি রামদা উদ্ধার করে। সংবাদদাতাদের এমন তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধারের ঘটনায় পাংশা থানা পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হয়। তারা সংবাদদাতাদের পৃথক পৃথকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে তারা এলোমেলো কথাবার্তা বলে।
এক পর্যায়ে সংবাদদাতা ইসলাম মন্ডল জানায়, তার পরিবারের সঙ্গে চাচাতো চাচা বাবু মন্ডলের পারিবারিক জমি-জমা সংক্রান্তে দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ ও মামলা চলমান রয়েছে। সে জানান, প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য বাবু মন্ডলের রান্না ঘরের খড়ির চালার নিচে অবৈধ অস্ত্র ফাঁসানোর জন্য রাখে। সে আরো জানায়, বাবু মন্ডলকে ফাঁসানোর জন্য মো. হামিদুর মিয়ার নিকট হতে অস্ত্র সংগ্রহ করে দুইজনে মিলে ওই ঘটনাস্থলে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় বুধবার বিকালে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


