
এজবাস্টনে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় সাংবাদিক প্রশ্ন করেন আগামী ১০-১৫ বছরে আপনাকে কি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফি বলেন, ‘ওহ, মোটেও না।’
অবশ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে মাশরাফি হীরার টুকরা, সোনার ছেলে। তিনি নড়াইল-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে ক্রীড়াবিদ থেকে অনেকেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে মাশরাফি দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি খেলোয়াড় থাকাকালীন সময়েই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে শ্রীলঙ্কার সনৎ জয়সুরিয়া খেলা থেকে অবসর নেওয়ার আগেই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১০ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে উপমন্ত্রীও হয়েছিলেন এই লঙ্কান ক্রিকেটার।
খেলা থেকে অবসর নিয়ে রাজনীতির মঞ্চে অনেকেই সাফল্য পেয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার গত জুলাইয়ে দেশটির ক্ষমতার মসনদে বসেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশের নাঈমুর রহমান দুর্জয়, ভারতের নভোজিৎ সিং সিধু, শ্রীলঙ্কার অর্জুনা রানাতুঙ্গা ব্রাজিলের ফুটবলার রোমারিও এবং লাইবেরিয়ার জর্জ উইয়াও খেলা থেকে রাজনীতিতে গিয়ে সাফল্য পান। অবশ্য মাশরাফি আরো কিছুদিন খেলা চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



