নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর যখন অনেকেই মনে করেছিল জাতীয়তাবাদী শক্তি ভেঙে পড়বে, ঠিক তখনই একজন সাহসী গৃহবধু সেই দলকে আগলে ধরেছিলেন। আপসহীন নেতৃত্ব, ত্যাগ আর সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি পরিণত হন গণতন্ত্রের প্রতীকে এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কালীগঞ্জ উপজেলার জাংলালিয়া ইউনিয়নের আওড়াখালী বাজারে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ কে এম ফজলুল হক মিলন বলেন, জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর মানুষ ভেবেছিল বিএনপি দুর্বল হয়ে যাবে। কিন্তু সেই কঠিন সময়ে একজন গৃহবধু দলটির হাল ধরেছিলেন। রাজনীতিতে এসে তিনি নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তবুও কখনো মাথা নত করেননি। তাঁর স্নেহছায়াতলেই আমি রাজনীতি করেছি।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া জীবিত থাকাকালে অনেকেই মনে করতেন তিনি কেবল বিএনপির নেত্রী। কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের পর প্রমাণ হয়েছে—তিনি ছিলেন সবার নেত্রী। আজ বাংলাদেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একজন অভিভাবককে হারিয়েছে।
নেত্রীর স্মৃতি ও আদর্শ ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কালীগঞ্জবাসীর দায়িত্ব হবে এই নেত্রীর ত্যাগ ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।
ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার আহমেদ নূহুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাস্টারের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মোল্লা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ফজলুর রহমান আখন্দ, জজকোর্টের এপিপি অ্যাডভোকেট শাহ মোতাসেম আজমল সোহেলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
দোয়া মাহফিল শেষে মরহুম নেত্রীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


