
এ পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন দেরি হচ্ছে। এর কারণ হল সমন্বয়ের অভাব এবং মূল কাজের বাইরে বিভিন্ন অঙ্গ যোগ করায় গতি মন্থর হয়েছে। এর পর আমরা এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে দেখব।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
বৈঠকে খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণসহ ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
প্রকল্প প্রস্তাবে পণ্য ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয় ধরার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিকল্পনা কমিশনের জনবলের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। ফলে পাতায় পাতায় উল্টে প্রকল্প প্রস্তাব দেখা সম্ভব হয় না। তবে এখন থেকে প্রকল্প মূল্যায়নে আরও কঠোরতা অবলম্বন করব।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইএমইডিকে শক্তিশালী করার কাজ চলছে। আইএমইডির দায়িত্ব হল একটি প্রকল্পের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত দেখা কিন্তু সেখানেও জনবলের ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। আইএমইডির রিপোর্টগুলো যথেষ্ট খুরধার হচ্ছে না। ফলে এমন হয়েছে যে আমলাতন্ত্রের ঝোপঝাড়ে সুঁই হারিয়ে গেলে যা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



