
তিনি বলেন, নোয়াখালীর ডিসি, এসপি, ডিবির ওসি, ইউএনও, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি, ওসি তদন্তের প্রত্যাহার না হলে এলাকায় শান্তি আসবে না।
কাদের মির্জা বলেন, আমি কারো রক্তচক্ষুকে ভয় করি না। গত কয়েক দিনের সব ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করতে হবে। নোয়াখালীর পিবিআইকেও প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে আমার আয়োজিত সব অনুষ্ঠান প্রজ্ঞাপন জারি করে বন্ধ করে দিয়েছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি)।
তিনি সব ঘটনা ডিজিএফআই ও এনএসআই দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, ষড়যন্ত্রমূলক তদন্ত করে জজ মিয়াদের যদি বিচার হয়, তা হলে কোম্পানীগঞ্জের মানুষ মেনে নেবে না। আমি ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ করব- আপনারা নারী-পুরুষ নিয়ে বেরিয়ে আসবেন।
কাদের মির্জা বলেন, আমার নেত্রী (শেখ হাসিনা) আমাকে বলেছেন- তুমি শান্ত থাক, আমি শান্ত আছি। কিছু কাগজপত্র রেডি করে রেখেছি সেগুলো নেত্রীকে দেব।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



