দেশের বিভিন্ন জেলা, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও সড়কে আরবি হরফ সম্বলিত পতাকা টাঙানোর ঘটনাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে সরকার। এ ঘটনার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, কী উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
ডা. জাহেদ বলেন, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং সরকার তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।
এ ধরনের ঘটনার কারণে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভুল বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, এটার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কারণ নেই।
সরকার বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কেন হচ্ছে, কারা করছে এসব আমরা তদন্ত করছি।
ডা. জাহেদ জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবেও বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দ্রুতই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাদের এ বিষয়ে সক্রিয় দেখা যাচ্ছে, তারাই প্রকৃত পরিকল্পনাকারী এমনটি ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, এত ব্যাপকভাবে ঘটনাগুলো ঘটেছে, তাই এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি এবং আশা করি এর প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
ব্রিফিংয়ে তিনি সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, সরকার ধীরে ধীরে নগদ সহায়তা (ক্যাশ ট্রান্সফার) ব্যবস্থার পরিধি বাড়াতে চায়, যাতে মানুষকে নির্দিষ্ট স্থানে গিয়ে ভর্তুকিপণ্য সংগ্রহের প্রয়োজন কমে আসে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
ডা. জাহেদ বলেন, চলতি অর্থবছরে আরও ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে নগদ সহায়তা ও কার্ডভিত্তিক সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



