Advertisement
জুমবাংলা ডেস্ক : এখন আর আওয়ামী লীগের একজন ছেলের সঙ্গে বিএনপি বা অন্য কোনো দলের সঙ্গে বিয়ের কথা চিন্তা করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরও গোটা দেশ আজকে বিভক্ত। বিভাজন এমন এক পর্যায় চলে গেছে শুধু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নয়, প্রশাসনিক ক্ষেত্রে, সামাজিক ক্ষেত্রে।

বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ‘আজকে এই স্বাধীনতার যুদ্ধে যে স্বপ্নগুলো ছিল, তা নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ কোনো একটা রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করছে, তা পরিকল্পিতভাবে তাদেরকেই ক্ষমতায় রাখার জন্য। এই কথাটা কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নয়।

তিনি আরও বলেন, আজকে একদলীয় শাসনব্যবস্থার যে ছদ্মবেশ, এ থেকে দেশকে বের করে আনতে হলে, জনগণের অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের কোনো বিকল্প নেই। আজকে আমাদের যে নেতা যার দিকে গোটা জাতি তাকিয়ে আছে, পরিবর্তনের জন্য তার নেতৃত্বে আমাদেরকে দেশের জনগণকে জাগিয়ে তুলতে হবে। এটা অত্যন্ত জরুরি।

জনগণকে জাগিয়ে তুলতে না পারলে কোনোদিন কোনো আন্দোলনই সফল হয় না উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাদের জাগরণের মধ্য দিয়েই অতীতে বাংলাদেশের সমস্ত বিজয় আমরা অর্জন করেছি। আমরা বিশ্বাস করি সেই জাগরণের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারব।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সঞ্চালনায় এই ভার্চুয়াল সভায় আরও বক্তব্য দেন দলটির স্থায়ী কমিটির খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমেদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ থাকায় ভার্চুয়াল আলোচনায় যুক্ত থেকে আলোচকদের বক্তব্য শুনেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। সূত্র : জাগো নিউজ।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.