যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়ে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার সই করা ওই আদেশে নির্দিষ্ট কোনো শুল্কহার উল্লেখ না থাকলেও উদাহরণ হিসেবে ২৫ শতাংশের কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যে কোনো দেশ যদি সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ইরান থেকে পণ্য বা সেবা ক্রয়, আমদানি কিংবা সংগ্রহ করে, তাহলে সেই দেশের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর এই শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

নির্বাহী আদেশে সইয়ের পর ট্রাম্প সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও শুক্রবার রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, ইরানের জন্য ‘পারমাণবিক অস্ত্র নয়’।
এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে এলো, যখন ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকির উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে চলতি বছরের শুরুতে ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন। ১২ জানুয়ারির এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা সব ধরনের বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করবে। সে সময় শুল্ক বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুনঃ
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নতুন এই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ইরানকে ঘিরে চলমান জাতীয় জরুরি অবস্থার বিষয়টি পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে প্রেসিডেন্ট এই আদেশ সংশোধন করতে পারবেন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা, সন্ত্রাসবাদে সহায়তা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা, মিত্র ও স্বার্থের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে, এজন্যই এই পদক্ষেপ।
এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: বিবিসি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


