আসন্ন ঈদুল আযহা কে বিবেচনা করে দেশজুড়ে ৮ দিন কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করেছে সরকার। গণপরিবহন চলাচল, দোকান-শপিংমল খুলে দেয়াসহ কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দেয়া হয়েছে। ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে।
এদিকে করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তাররোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের (লকডাউন) মধ্যেও পোশাক কারখানাসহ দেশের সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা চালু রয়েছে। তবে ঈদুল আজহা উদযাপনের পর আগামী ২৩ জুলাই ভোর ৬টা থেকে দুই সপ্তাহের জন্য চালু হতে যাওয়া লকডাউনের সময় সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জারি করা এক প্রজ্ঞপনে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামী ১৫ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত চলমান কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল থাকবে। জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ পূর্ববর্তী ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সময়ে জনসাধারণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
আগামী ২১ জুলাই বাংলাদেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। রোববার (১১ জুলাই) দেশের আকাশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। রোববার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন আরোপ করে সরকার। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



