বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এক সময় ঋণ খেলাপি ছিলেন, এমন একটি পুরোনো অভিযোগের বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি নিজেই। ব্যাংক খাতের বর্তমান তারল্য সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নিজের এই প্রসঙ্গটি নিয়ে কথা বলেন গভর্নর।

শুক্রবার (১২ জুন) প্রথমবারের মতো নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ঋণখেলাপি অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন তিনি।
নিজের পূর্বের অবস্থান পরিষ্কার করে মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘গত চার মাসে অনেকবার ঋণখেলাপির অভিযোগ শুনেছি। বাস্তবতা হলো- একটা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, যা ছিলো সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরি। সেই ফ্যাক্টরিতে প্রথম স্যাংশন ছিলো এফএসএসপি প্রজেক্টের আন্ডারে, যেখানে সুদের হার ছিলো ৪%।
১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করার পর ব্যাংক জানায়, ওই তহবিলটা শেষ হয়ে গেছে। এখন ৯ থেকে ১১% সুদ দিতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই হিসাব পালটে গেছে। পেমেন্ট আগের প্রজেকশন অনুসারে হয়নি। ডিলে হয়েছে এবং সেখানে কোভিড এবং অন্যান্য প্রবলেমও ছিলো।’
গভর্নর বলেন, ‘একটা হচ্ছে ওভারডিউ হওয়া, ডিলে হওয়া, সেটা এক জিনিস। আরেকটা হচ্ছে খেলাপি হয়ে যাওয়া, সেটা ভিন্ন জিনিস। আজ পর্যন্ত সেই ফ্যাক্টরি একদিনের জন্য বন্ধ হয়নি। একদিনের জন্য এক্সপোর্ট বন্ধ হয়নি। এক মাসের জন্য বেতন ডিলে হয়নি। ব্যাংকের কাছে এক টাকা ঋণ মওকুফ চায়নি, উলটো ১০০ কোটি টাকার উপরে ব্যাংকে পরিশোধ করেছে। তবে একটা মিথ্যা অনেকবার বলতে বলতে সত্য হয়ে যায়।’
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি বলেন, ‘নির্মম সত্য হলো-পাচার করা টাকা ফেরত আনা কঠিন। বৈশ্বিকভাবে পাচারের টাকা ফেরতের হার ২%। আর এ ধরনের মামলা নিষ্পত্তিতে সময় লাগে ৭-১০ বছর। আমরাও চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



