আন্তর্জাতিক ডেস্ক : একটা মশার কামড়। একটা মানুষের জীবনকে কী কখনও বদলে দিতে পারে? না, না। নানা পাটেকরের কোন সিনেমার ডায়লগকে বাংলায় লিখার বিষয় নয় এটি। বাস্তবেই এমন একটি ঘটনা ঘটেছে এক মহিলার সঙ্গে। যার নাম অ্যাঙহারাদ উইলিয়ামস।
সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, ১৩ বছর বয়েসে তাকে একবার বাঁ পায়ে থাইয়ের ওপর মশা কামড়িয়ে ছিল। মশা তাকে আগেও বহুবার কামড়েছে। তবে সেই মশার কামড়টা তার জীবনকে বদলে দেয়। প্রথমে কিছুই বুঝতে পারেনি উইলিয়াম। জায়গাটা কিছুটা ফুলতে শুরু করে মাস খানেক পর থেকে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। চিকিৎসকরা তো দেখে অবাক হন।
চেকআপের পর চিকিৎসকরা বলেন, এক বিশেষ ধরণের মশার কামড়ের জন্য স্থানটি ফুলে উঠেছে, পরে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু ঠিক হয়নি। বরং বাঁ পা-টা আরও ফুলতে শুরু করে অ্যাঙহারাদ উইলিয়ামসের। দু’বছর পর আবার আরও বড় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তার বাঁ পায়ে বিশেষ এক ধরনের দামী ব্যান্ডেজ বেঁধে দেওয়া হয় তাক। তবে এতে করে বাঁ পায়ের ফোলাটা না কমলেও অতিরিক্ত আর বৃদ্ধি পায়নি।
তবে স্ফিত হওয়ার গতি থমকে গেলেও উইলিয়ামসের বাঁ পায়ের ওজন তার ডান পায়ের থেকেও ১২ কেজি বেড়ে যায়। ভারী বাঁ পা-টা নিয়ে স্কুলে যেতে অসুবিধায় পড়ে যেতে হয় তাকে। অনেকেই তার পা নিয়ে ঠাট্টা-মশকরাও করেছিল। তাতেও দমানো যায়নি উইলিয়ামসকে। একটা মশার কামড়ে জীবনের গতি থমকে গেলেও সেটিকে পৃথকভাবে পরিচালনা করলেন উইলিয়ামস। সাঁতার হতে শুরু করে সাইকেলিং সবই করতে শুরু করেন তিনি। চিকিৎসকরা বলছেন, উইলিয়ামসের পায়ের স্ফীতভাবটা আর কমার সম্ভাবনা খুবই কম।
উইলিয়ামস নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে সবার মনের জোর বাড়িয়ে দেন। উইলিয়ামসের বর্তমানে সুখি পরিবার। একটা মশার কামড় উইলিয়ামসের জীবনটা সত্যিই পাল্টে দিয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।