জুমবাংলা ডেস্ক : সারাদিন কুরআন হিফজ চলছে। এতিম ছেলেগুলো একমনে আল্লাহর কেতাব মুখস্ত করতে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছে। কিন্তু কোমলমতি এসব ছাত্রদের ছোট্ট পেটটি লেগে গেছে পিঠের সাথে। ক্ষুধায়। কিন্তু ক্ষুধাকে শক্তি ভেবেই চলছে ধর্মের সাধনা।

Advertisement
এমন চিত্র বরিশাল নগরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশপুর গুচ্ছগ্রামের রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিশুদের। আর্থিক সংকটে একবেলা খাবার খেয়ে দিন কাটছে তাদের।

গত একসপ্তাহ ধরে এ সমস্যা চলছে বলে জানিয়েছেন মাদ্রাসার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী। তিনি জানান, কখনও কখনও খাবারের মধ্যে শুধু মুড়ি খেয়েও দিন পার করতে হচ্ছে শিশুদের।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে পলাশপুর গুচ্ছগ্রামে এতিমখানা ও মাদ্রাসাটি চালু করা হয়। সেসময় থেকেই একটি ভাড়া বাসার কয়েকটি কক্ষে পরিচালিত হতো। বছরখানেক আগে নির্মাণ করা হয়েছে নিজস্ব ভবন। যদিও অর্থ সংকটে মাদ্রাসার অনেক কাজি বাকি।

বর্তমানে মাদ্রাসায় দ্বীনি শিক্ষা নিচ্ছেন শতাধিক শিক্ষার্থী। যারমধ্যে আবাসিকে অর্ধশত শিক্ষার্থী এবং ২০ জন এতিম শিশু রয়েছে।

নুরুল ইসলাম ফিরোজী জানান, মাদ্রাসায় পানি ও বিদ্যুতের সংকট রয়েছে । এখন টাকার অভাবে আবাসিক ও এতিম ছাত্রদের নিয়মিত খাবার সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রায়ই সময়ই ছোট ছোট শিশুদের ভাতের বদলে মুড়ি খেতে হচ্ছে।

মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পেটে ক্ষুধা নিয়ে পড়ায় মনোযোগ বসে না। গত কয়েকদিন ধরে কেউ সাহায্য করলে খানা হচ্ছে, অন্যথায় হচ্ছে না। সামাজের বিত্তবানরা বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিলে আল্লাহর রহমতে ছাত্রদের দ্বীন শিক্ষার পথ সহজ হয়ে উঠবে।

সূত্র : মানবকণ্ঠ

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google