জুমবাংলা ডেস্ক : ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব এবং সেই বন্ধুত্ব শুধু কথায় নয় কাজেও সেটা বার বার প্রমাণ হয়েছে। যেমন কোভিড সংকটে ভারত পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রতিশ্রুতি মতো করোনা ভ্যাকসিন দিয়েছে। একেই বলে বন্ধুত্ব।
কলকাতার ব্রিগেড ময়দানের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের ৫০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এদিন কলকাতা প্রেসক্লাবে একাত্তরের শহীদ দুই ভারতীয় সাংবাদিকদের স্মরণের এক অনুষ্ঠানেও বক্তব্য রাখেন তিনি।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ, স্বাধীনতার ও ভারত-বাংলাদেশের ৫০তম কূটনৈতিক বর্ষকে স্মরণ করে সপ্তাহব্যাপী কলকাতায় নানা আয়োজনের অংশ হিসেবে শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড বা যাকে গড়ের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উপস্থিতি বলে দিয়েছে আসলে বঙ্গবন্ধুকে আজও একইভাবে স্মরণ ও শ্রদ্ধা করেন কলকাতার মানুষ ও বিশিষ্টজনেরা।
১৯৭২ সালে ৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে এক মঞ্চে ভাষণ দিয়েছিলেন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐতিহাসিক সেই ভাষণের ৫০তম বর্ষকে আরও স্মরণীয় করতে মুক্তিযুদ্ধের নানাভাবে সহযোগিতাকারী ভারতীয়দের মধ্যেও এদিন প্রদান করা হয় বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষাবিদ ড. পবিত্র সরকার, সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত কবি পঙ্কজ সাহা ও যাদুকর পি সি সরকার জুনিয়র প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ভারতের নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহম্মদ ইমরান, কলকাতার বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনার তৌফিক হাসান ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে ছিলেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদও। বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে স্মরণ করার পাশাপাশি তথ্যমন্ত্রী তুলে আনেন ভারত বাংলাদেশের বন্ধুত্বের কথাও।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক উন্নয়নের রোল মডেল। কোভিডকালীন বিশ্বের ২০টি দেশের জাতীয় আয় বেড়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে তিন নম্বরে। যদিও বাংলাদেশর আগে যে দুটো দেশ আছে সেই দেশের অর্থনীতি বাংলাদেশের চেয়ে ছোট এবং জনসংখ্যাও কম। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলাদেশই শীর্ষে।
তিনি বলেন, ভারত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কোভিড টিকা দেওয়ার। আমাদের ২০ লাখ ডোজ উপহার দিয়েছে। সেরামের সঙ্গে চুক্তি মোতাবেক আরো ৪০ লাখ ডোজ টিকা যাবে শিগগিরই। তিনি এই টিকা দেওয়ার ঘটনাকে সামনে রেখে বলেন- একেই বলে বন্ধুত্ব।
এর আগে তথ্যমন্ত্রী দুপুরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া কলকাতার দুই শহীদ সাংবাদিকের স্মারকস্তম্ভ উদ্বোধন করেন কলকাতা প্রেসক্লাবে। তারা হলেন- দিপীক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুরজিৎ ঘোষাল। ক্লাবের সভাপতি স্নেহাশিস সুর সম্পাদক কিংশুক প্রামাণিক সহ ওই অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


