
সাইফ খানের আগ্রহ জানার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হোসেইন মুহম্মদ এরশাদের ব্যক্তিগত সহকারী জাহাঙ্গীর।
প্রথমে রক্তের ক্রসম্যাচিংয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় প্লাটিলেট সংখ্যা। পরে গতকাল শুক্রবার, ৫ জুলাই বিকেলে জরুরি ভিত্তিতে সাইফের কাছ থেকে রক্তের প্লাটিলেট সংগ্রহ করেন সি এম এইচ কর্তৃপক্ষ।
সাইফ খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি নিয়মিতই রক্ত দান করি। অনেক বছর ধরে এটি মানবিক কর্তব্যের বোধ থেকে করে আসছি। তবে এই প্রথম এত হাই-প্রোফাইল কাউকে রক্ত দিলাম। সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ সাহেব যদি সুস্থ হয়ে উঠেন সেটা সত্যি দারুণ একটা অনুভূতি হবে আমার জন্য।’
দেশবাসীর কাছে সাইফ খান সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান হোসেইন মুহম্মদ এরশাদের সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে আবু সুফিয়ানের ‘বন্ধু মায়া লাগাইছে’ ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আগমন সিলেটের ছেলে সাইফ খানের। প্রথম ছবিতে তার নায়িকা ছিলেন নিপুণ। এরপর তার অভিনীত ছবি মুক্তি পেয়েছে ‘এক জনমের কষ্টের প্রেম’ ও ‘পালাবার পথ নেই’। এ ছাড়া কলকাতার চলচ্চিত্র ‘আমিই টোটো’তে অভিনয় করেছেন তিনি।
বর্তমানে মোহাম্মদ আসলাম পরিচালিত ‘সমাধান’ চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। এ ছাড়া ‘বাঘিণী কন্যা’ চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বলে জানান সাইফ খান।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



