
আকবর ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, ‘আমরা তাকে বাংলাদেশি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে পেয়েছি। জিজ্ঞাসাবাদের আগ পর্যন্ত এবিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা যাবে না। আজকে পিবিআিই তাকে নেবে।’
পুলিশ সুপার বলেন, ‘জেলা পুলিশের সরাসরি তত্ত্বাবধানে আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। কিন্তু এর আগে যদি কেউ কোনো ভিডিও করে থাকে সেটা তাদের বিষয়। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কেউ ভিডিও করে নাই। ’
‘আমরা সব সময় পুলিশিং কাজে মানুষে সহযোগিতা নিয়ে থাকি। এখানে আমাদের নির্ভরযোগ্য বন্ধু ছিল যারা আমাদের গ্রেফতার কাজটাতে সহযোগিতা করেছে। ’
এর আগে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় জনতার সহায়তায় জেলা পুলিশের একটি দল কানাইঘাটের ডনা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। প্রথমে স্থানীয় খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের হাতে তিনি আটক হন। পরে পুলিশ দ্রুত গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
প্রসঙ্গত, গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন রায়হান আহমদ (৩৪)। পরে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে তিনি মারা যান। রায়হান সিলেট নগরীর আখালিয়ার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি নগরীর রিকাবিবাজার স্টেডিয়াম মার্কেটে এক চিকিৎসকের চেম্বারে কাজ করতেন। এ ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হেফাজতে মৃত্যু আইনে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন রায়হানের স্ত্রী। স্ত্রীর দায়ের করা মামলাটির তদন্ত করছে পিবিআই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



