Close Menu
Bangla news
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Bangla news
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • শিক্ষা
    • আরও
      • লাইফস্টাইল
      • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
      • বিভাগীয় সংবাদ
      • স্বাস্থ্য
      • অন্যরকম খবর
      • অপরাধ-দুর্নীতি
      • পজিটিভ বাংলাদেশ
      • আইন-আদালত
      • ট্র্যাভেল
      • প্রশ্ন ও উত্তর
      • প্রবাসী খবর
      • আজকের রাশিফল
      • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
      • ইতিহাস
      • ক্যাম্পাস
      • ক্যারিয়ার ভাবনা
      • Jobs
      • লাইফ হ্যাকস
      • জমিজমা সংক্রান্ত
    • English
    Bangla news
    Home ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী
    লাইফস্টাইল ডেস্ক
    লাইফস্টাইল

    ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী

    লাইফস্টাইল ডেস্কMd EliasJuly 24, 20257 Mins Read
    Advertisement

    ভোরের কুয়াশা তখনও পুরোপুরি কাটেনি। সামনে প্রাচীন ইটের বিশাল প্রাচীর, যেন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। পায়ের নিচে মাটি, হাজার বছরের ইতিহাসের স্তর চাপা। শীতের সকালে মহাস্থানগড়ে দাঁড়িয়ে অনুভব করলাম, এখানে শুধু ধ্বংসাবশেষ নেই, আছে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের প্রাণের স্পন্দন, আছে বীরত্বের গল্প, প্রেমের কিংবদন্তি, আর ধর্মের উত্থান-পতনের নিরব সাক্ষ্য। প্রতিটি ধূলিকণা যেন কানে কানে ফিসফিস করে বলছে, “শোনো, আমি অতীতের কথা বলছি…” এই অনুভূতিই তো আসল মাহাত্ম্য, যখন কোনো ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী হয়ে ওঠে জীবন্ত অভিজ্ঞতায়। আজ আপনাদের নিয়ে যাব প্রাচীন বাংলার সেই হারানো রাজধানীতে, যেখানে ইতিহাস বইয়ের পাতার বাইরে বেরিয়ে এসে স্পর্শ করে যায় হৃদয়।

    ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প

    মহাস্থানগড়: বাংলার সভ্যতার আদি উৎস সন্ধানে

    প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো এই নগরী শুধু বাংলাদেশেরই নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম নগর-কেন্দ্রগুলোর একটি। প্রাচীন নাম পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। একসময় গাঙ্গেয় সমতলের অন্যতম শক্তিশালী রাজ্য পুণ্ড্রদের রাজধানী ছিল এই মহাস্থানগড়। তারপর পাল, সেন, দেব, মৌর্য্য, গুপ্ত, এমনকি মুঘল আমল পর্যন্ত – বহু যুগের উত্থান-পতনের সাক্ষী এই মাটি। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এবং ইউনেস্কোর যৌথ প্রচেষ্টায় এই স্থানটি সংরক্ষিত হচ্ছে, এবং এর বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা প্রাপ্তির প্রক্রিয়া চলমান। ২০২৩ সালের জরিপ অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় ৫ লক্ষ পর্যটক এই প্রাচীন নগরী পরিদর্শনে আসেন, যা দেশের ঐতিহাসিক স্থানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ দর্শনার্থী সংখ্যা।

    আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, মহাস্থানগড়ে প্রবেশ করার মুহূর্তটাই ভিন্ন। প্রধান ফটক ‘কাজলা দরজা’ পার হতেই মনে হলো, সময় যেন পেছনের দিকে হেঁটে যাচ্ছে। চোখের সামনে ভেসে উঠলো সেই প্রাচীন নগরীর ছবি – রাজপথে হাতি-ঘোড়ার চলাচল, বাণিজ্যিক মহল্লায় কোলাহল, রাজপ্রাসাদের জাঁকজমক। প্রত্নতত্ত্ববিদ ড. সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের মতে, “মহাস্থানগড় শুধু ধ্বংসস্তূপ নয়, এটা এক জীবন্ত পাঠশালা। প্রতিটি খনন, প্রতিটি নিদর্শন আমাদের পূর্বপুরুষদের জীবনযাপন, শিল্প-সংস্কৃতি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে নতুন জানার দুয়ার খুলে দেয়।” (সূত্র: বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, মহাস্থানগড় বিশেষ প্রকাশনা, ২০২২)।

    ভ্রমণ গল্পের কেন্দ্রবিন্দু: যেসব স্থান অতীতকে স্পর্শ করালো

    • বৈরাগীর ভিটা ও গোবিন্দ ভিটা: এই বিশাল স্তূপ বা মন্দির কমপ্লেক্সের ধ্বংসাবশেষ দেখে বোঝা যায় প্রাচীন স্থাপত্যের কতটা উন্নত মান ছিল। স্থানীয় গাইড আকরাম হোসেনের কাছ থেকে শুনলাম কিংবদন্তি – এখানেই রাজা প্রতাপাদিত্যের গোবিন্দদেবের মূর্তি প্রতিষ্ঠিত ছিল। সন্ধ্যার সময় সূর্যের আলো পড়ে ইটের গায়ে, তখন পুরো এলাকা যেন সোনালি আভায় মোড়া হয়।
    • জিয়ৎ কুণ্ড (জীবনদায়ী কুণ্ড): এই প্রাচীন কুয়া নিয়ে অসংখ্য লোককথা প্রচলিত। কথিত আছে, এই কুণ্ডের পানি পান করেই মৃতপ্রায় যোদ্ধা জিয়াউদ্দিন বারি বখতিয়ার খিলজিকে সুস্থ করেছিলেন। কুণ্ডের পাশে দাঁড়িয়ে কল্পনা করলাম, কত যুগ ধরে কত মানুষ তাদের তৃষ্ণা মেটাতে এসেছে এই জলধারায়।
    • শিলাদেবীর ঘাট ও মানকালীর ঢিবি: পবিত্রতা ও পূজা-অর্চনার কেন্দ্র ছিল এই স্থান। খননকার্যে এখানে পাওয়া গেছে বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি ও পূজার উপকরণ, যা প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস ও সামাজিক রীতিনীতির প্রমাণ দেয়।
    • মহাস্থান জাদুঘর: প্রাচীন এই নগরীর হৃদয় বলা যায় জাদুঘরটিকে। এখানে সংরক্ষিত আছে মহাস্থানগড় ও আশেপাশের অঞ্চল থেকে পাওয়া হাজার হাজার নিদর্শন – পোড়ামাটির ফলক, স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রা, ব্রোঞ্জের মূর্তি, পাথরের ভাস্কর্য, মৃৎপাত্র ইত্যাদি। বিশেষ করে মহাস্থান ব্রাহ্মী শিলালিপি (খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতক) বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শনগুলোর একটি, যা বাংলা লিপির বিবর্তনের ইতিহাসে অমূল্য দলিল। ২০২২ সালে জাদুঘরটিতে একটি নতুন গ্যালারি সংযোজন করা হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে নগরীর পুনর্নির্মাণ দেখানো হয়, যা অতীতকে কল্পনা করতে দারুণ সাহায্য করে।

    অতীতের সাক্ষী হয়ে ভ্রমণ: শুধু দেখাই নয়, অনুভবের গল্প

    মহাস্থানগড়ে ভ্রমণ শুধু প্রাচীন স্থাপনা দেখা নয়, এটা এক গভীর আবেগপূর্ণ ও শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতাকে সত্যিকারের অতীতের সাক্ষী বানাতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

    • স্থানীয় গল্পের শক্তি: স্থানীয় গাইড বা বয়োজ্যেষ্ঠদের কথা শুনুন। তাদের মুখে শোনা কিংবদন্তি, লোককথা ঐতিহাসিক তথ্যের চেয়েও গভীর আবেদন তৈরি করতে পারে। যেমন, ‘বেহুলার বাসর ঘর’-এর গল্প শুনতে শুনতে মনে হবে বেহুলা-লখিন্দরের প্রেমের করুণ ইতিহাস যেন চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
    • সময় নির্বাচন: ভোরবেলা বা সন্ধ্যার আগের সময়টি মহাস্থানগড় ভ্রমণের জন্য আদর্শ। ভোরের নরম রোদে প্রাচীরের ছায়া দীর্ঘ হয়, আর সন্ধ্যায় সূর্যাস্তের লাল-কমলা রঙে পুরো এলাকা মায়াবী হয়ে ওঠে। শীতকাল (নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি) ভ্রমণের সেরা সময়, গরম ও বৃষ্টি এড়ানো যায়।
    • কল্পনার ডানা মেলুন: শুধু ধ্বংসাবশেষ দেখবেন না, কল্পনা করুন সেই সময়ের পরিপূর্ণ নগরীকে। রাজপ্রাসাদ কোথায় ছিল, বাজার বসত কোথায়, সাধারণ মানুষ কোথায় থাকতেন – স্থানীয় গাইড বা জাদুঘরের ডিজিটাল ম্যাপ এই কল্পনায় রং লাগাতে সাহায্য করবে।
    • দায়িত্বশীল পর্যটন: এই প্রাচীন স্থান আমাদের অমূল্য ঐতিহ্য। ইটের গায়ে নাম খোদাই করা, ময়লা ফেলা, বা কোনো নিদর্শন স্পর্শ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। ছবি তোলার সময়ও সতর্ক থাকুন যেন কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

    কেন এই ভ্রমণ গল্প গুরুত্বপূর্ণ? অতীত বোঝার চাবিকাঠি

    আমরা যখন ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী হিসেবে মহাস্থানগড়ের কথা বলি, তখন শুধু বিনোদনের কথা ভাবলে ভুল হবে। এই ভ্রমণ আমাদের:

    1. আত্মপরিচয়ে শেকড় খোঁজায় সাহায্য করে: আমরা কে? কোথা থেকে এসেছি? মহাস্থানগড়ের মতো স্থান আমাদের জাতিসত্তা ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের গভীর স্তরগুলো বুঝতে শেখায়।
    2. ইতিহাসকে প্রাণবন্ত করে তোলে: পাঠ্যবইয়ের শুষ্ক তারিখ ও নামের বাইরে গিয়ে ইতিহাসকে স্পর্শ করা, দেখার অনুভূতি সম্পূর্ণ আলাদা।
    3. ধৈর্য্য ও স্থায়ীত্বের শিক্ষা দেয়: হাজারো বছর ধরে টিকে থাকা এই নিদর্শনগুলো প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বিপর্যয় সত্ত্বেও টিকে থাকার এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত।
    4. স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখে: দর্শনার্থীরা আসেন, স্থানীয় গাইড, হোটেল, রেস্তোরাঁ, হস্তশিল্প বিক্রেতারা উপকৃত হন। এটি টেকসই উন্নয়নের একটি দিক।

    মহাস্থানগড়ের পাশাপাশি: অন্যান্য অতীতের সাক্ষী

    বাংলাদেশে মহাস্থানগড়ের মতো আরও অনেক স্থান অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সংক্ষেপে সেগুলোর উল্লেখ না করলেই নয়:

    • পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (নওগাঁ): বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এই স্থান একসময় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রধান বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র ছিল। এর বিশালতা ও নকশা দেখে বোঝা যায় প্রাচীন স্থাপত্যবিদ্যার কত উৎকর্ষ ছিল। (ইউনেস্কো ওয়েবসাইটে পাহাড়পুর)।
    • ময়নামতি (কুমিল্লা): পাল আমলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ কেন্দ্র। শালবন বিহার, চন্দ্রবিপ্ল বিহার, রূপবান মুড়া – প্রতিটি স্থানই এক একটি ইতিহাসের পাতা।
    • লালবাগ কেল্লা (ঢাকা): মুঘল স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন। পরী বিবির সমাধি, দুর্গটির অসমাপ্ত ইতিহাস, এবং এর সাথে জড়িয়ে থাকা করুণ কাহিনী পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
    • সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ): প্রাচীন পানাম নগরী, গোয়ালদী মসজিদ, সোনাকান্দা দুর্গ মধ্যযুগীয় বাংলার সমৃদ্ধ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

    জেনে রাখুন (FAQs)

    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড় ভ্রমণের সবচেয়ে ভাল সময় কোনটি?
      উত্তর: শীতকাল, বিশেষ করে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস, ভ্রমণের জন্য আদর্শ। এই সময় আবহাওয়া মনোরম থাকে, গরম বা বৃষ্টির ভয় থাকে না। ভোরবেলা বা সন্ধ্যার কিছুক্ষণ আগে গেলে ভীড় কম থাকে এবং আলো-ছায়ার খেলায় স্থানটির সৌন্দর্য বাড়ে। গ্রীষ্মে প্রচণ্ড গরম এবং বর্ষায় কাদা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে প্রবেশের টিকিটের মূল্য কত এবং জাদুঘর খোলার সময় কী?
      উত্তর: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রবেশ টিকেট সাধারণত ২০ টাকা এবং জাদুঘরের জন্য আলাদা ২০ টাকা। সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ১০০ টাকা এবং অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা (মার্চ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বশেষ তথ্যের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট চেক করুন)। জাদুঘর সাধারণত শনিবার বাদে সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে (শীতকালে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত)। শুক্রবার দুপুর ১২:৩০ থেকে ২:৩০ পর্যন্ত বন্ধ থাকে।

    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে যাওয়ার জন্য বগুড়া শহর থেকে কীভাবে যাব?
      উত্তর: বগুড়া শহর থেকে মহাস্থানগড়ের দূরত্ব মাত্র ১১-১২ কিলোমিটার। সহজ উপায়গুলো হলো:

      • অটোরিকশা/সিএনজি: সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সুবিধাজনক। ভাড়া ১৫০-২৫০ টাকা (আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে)।
      • বাস/লোকাল ট্রান্সপোর্ট: বগুড়া বাস স্ট্যান্ড বা বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে মহাস্থানগড়গামী লোকাল বাস পাওয়া যায়, ভাড়া ২০-৩০ টাকা।
      • প্রাইভেট কার/মাইক্রোবাস: নিজস্ব গাড়ি বা ভাড়া করা গাড়িতেও যাওয়া যায়।
    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে গাইড নেওয়া কি জরুরি? তাদের ফি কেমন?
      উত্তর: গাইড নেওয়া অত্যন্ত সুপারিশকৃত। স্থানটির বিশাল এলাকা এবং প্রতিটি ধ্বংসাবশেষের পেছনের গভীর ইতিহাস ও কিংবদন্তি একজন প্রশিক্ষিত গাইড ছাড়া বোঝা কঠিন। জাদুঘর কমপ্লেক্সের ভেতরেই সরকার অনুমোদিত গাইড পাওয়া যায়। ভাড়া সাধারণত ৩০০-৫০০ টাকা (স্থান ও সময়ের বিবেচনায়) হয়। গাইডের কাছ থেকে তার আনুষ্ঠানিক আইডি কার্ড দেখে নেওয়া ভালো।

    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে খাওয়া-দাওয়া ও ওয়াশরুমের ব্যবস্থা কী?
      উত্তর: জাদুঘর কমপ্লেক্সের ভেতরে একটি ক্যান্টিন আছে যেখানে হালকা নাস্তা (চা, বিস্কুট, চিপস, কোল্ড ড্রিঙ্কস) পাওয়া যায়। তবে ভালোভাবে খেতে চাইলে বগুড়া শহরেই খেয়ে আসা ভালো, বা মহাস্থানগড়ের বাইরে রাস্তার পাশে কিছু স্থানীয় দোকানে সাধারণ খাবার (পরোটা, ভাত, ডাল, সবজি) পাওয়া যায়। জাদুঘর কমপ্লেক্সের ভেতরেই পরিষ্কার ওয়াশরুমের সুবিধা রয়েছে।

    • প্রশ্ন: মহাস্থানগড়ে ছবি তোলার কোনো নিষেধাজ্ঞা আছে কি?
      উত্তর: সাধারণত বাইরের খোলা জায়গায় (ধ্বংসাবশেষ, প্রাচীর, প্রাকৃতিক দৃশ্য) ছবি তোলায় কোনো বাধা নেই এবং এটি উৎসাহিতও করা হয়। তবে জাদুঘরের ভেতরের গ্যালারিতে ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে ছবি তোলা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, কারণ এতে নাজুক পুরাকীর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কিছু সংরক্ষিত কেস বা বিশেষ নির্দেশনা থাকলে সেটা মেনে চলতে হবে। সবসময় সাইনবোর্ড বা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা লক্ষ্য রাখুন।

    কোনো ঐতিহাসিক স্থানই শুধু পাথর আর ইটের স্তূপ নয়; এরা আমাদের পূর্বপুরুষদের স্বপ্ন, সংগ্রাম, প্রেম, বিশ্বাস আর অস্তিত্বের মূক সাক্ষী। মহাস্থানগড়ের ধুলোয় মিশে থাকা সেই সাক্ষ্য যখন কল্পনার রঙে সজীব হয়ে ওঠে, তখনই এক অনন্য অভিজ্ঞতায় পরিণত হয় ভ্রমণ। আপনার পায়ের নিচের মাটি, আপনার স্পর্শ করা প্রাচীর – হাজার বছর আগেও কেউ না কেউ ঠিক এভাবেই দাঁড়িয়েছিল, একই আকাশের নিচে। এই অসামান্য সংযোগের অনুভূতিই তো ইতিহাস ভ্রমণের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। তাই সময় করে বেরিয়ে পড়ুন, খুঁজে দেখুন বাংলার সেই হারানো গৌরবগাথা। মহাস্থানগড়ের মতো ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী হয়ে উঠুক আপনার স্মৃতির ধন। পরিকল্পনা করুন, গন্তব্যে পৌঁছান, এবং অতীতের সেই মর্মস্পর্শী কাহিনী নিজের চোখে দেখে আসুন।


    জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
    অতীতের ঐতিহাসিক ঐতিহাসিক স্থান নিয়ে ভ্রমণ গল্প: অতীতের সাক্ষী গল্প নিয়ে, ভ্রমণ লাইফস্টাইল সাক্ষী স্থান
    Related Posts
    Hair Tips

    যেসব খাবার খেলে টাক পড়বে না, ঘন ও লম্বা হবে চুল

    August 30, 2025
    প্রেমিকাকে খুশি

    প্রেমিকাকে খুশি রাখার কার্যকরী উপায়, কাজ করবে মুহুর্তের মধ্যে

    August 30, 2025
    স্ত্রী

    স্ত্রীর সঙ্গে মেলামেশার পর ৪টি কাজ অবশ্যই করবেন

    August 30, 2025
    সর্বশেষ খবর
    Pori Moni

    পরীমণির রহস্যময় পোস্ট ঘিরে নতুন প্রেমের জল্পনা

    spirit airlines stock today

    Spirit Airlines Stock Plunges as Bankruptcy Filing Shakes Market Confidence

    Jabrill Peppers' Unexpected Release Surprises NFL Community

    Jabrill Peppers Release Stuns NFL After Patriots Cut High-Graded Safety

    গুগলে ২.৫২ কোটি টাকার চাকরি ছাড়লেন ২৭ বছর বয়সী যুবক সম্পর্ক ভাঙার পর

    ব্রেকআপের পর গুগলের ২.৫২ কোটি টাকার চাকরি ছাড়ল যুবক

    Kate Winslet directorial debut

    Kate Winslet’s Directorial Debut “Goodbye June” Sets Christmas Release

    ওয়েব সিরিজ

    উল্লুতে রিলিজ হলো ‘কল সেন্টার’ ওয়েব সিরিজ, রোমান্স ও নাটকীয়তায় ভরপুর গল্প!

    South Korea Indicts Former First Lady After Yoon Suk Yeol Ouster

    South Korea Former First Lady Indicted on Bribery and Fraud Charges

    ben shelton injury

    Ben Shelton’s US Open Dream Ends in Tears After Sudden Shoulder Injury

    Tesla Model Y

    Tesla Model Y Performance Debuts with Supercar Speed and Adaptive Chassis

    Trump Appoints RFK Jr. Ally Jim O’Neill as Acting CDC Chief

    Trump Fires CDC Director, Appoints RFK Jr Deputy as Acting Chief

    • About Us
    • Contact Us
    • Career
    • Advertise
    • DMCA
    • Privacy Policy
    • Feed
    • Banglanews
    © 2025 ZoomBangla News - Powered by ZoomBangla

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.