
নিজেকে জাহির করে সাইবার ফরেনসিক এক্সপার্ট হিসেবে। ক্রিমিনাল জাস্টিসে ভার্জিনিয়া ইউনিভারসিটিতে পড়ালেখা করেছে দেখায়। চিটাগংয়ের প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেয়া তার। সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের ফেসবুক পেইজ নিয়মিত ফলো করে সে।সকল সিনিয়র পুলিশ অফিসারদের মোবাইল নাম্বার তার হাতে থাকে। পুলিশ অফিসারদের সাথে ফেসবুকে না থাকলেও কায়দা করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ফেসবুকে যুক্ত হয়। নিয়মিত নিত্য নতুন পোস্ট দেয়, ঈদ শুভেচ্ছা জানায়। ফেসবুকে তার বন্ধুর সংখ্যা প্রায় ৫০০০। হাওয়ায় ভাসতে থাকে সে।
বেশিরভাগই মেয়ে বন্ধু তার, অনেকের সাথে প্রেম পরিণয় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এএসপি পরিচয়ে গত শুক্রবার ঈদের দিন অনার্স পড়ুয়া এক মেয়ে বন্ধুর সাথেও হাতিরঝিলে দেখা করে সে।
কিন্তু হায়!! জাকারিয়ার সবশেষ!!
অনলাইনে নিজেকে হাওয়ায় ভাসালেও অফলাইনে সিআইডির পাতা ফাঁদের জালে এখন সে। মুখ থোতা ভুতা হয়ে রিমান্ডে সে এখন সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের চৌদ্দশিকে।
দন্ডবিধি ১৭০ ধারা মোতাবেক গভ: চাকুরী না করে সরকারী কর্মকর্তা সাজার জন্য জারারিয়ার দুবছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী জাকারিয়া ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করিয়া-
প্রতারণা করিবার উদ্দেশ্যে অপর কোনো ব্যক্তির পরিচয় ধারণ করার অপরাধ করেছে, সেজন্য তার ৫ বছর জেলে থাকতে হতে পারে, সাথে ৫ লাখ টাকার জরিমানাও দেয়া লাগতে পারে।
যে যেমন তেমনই থাকা উচিত, নিজেকে তেমনই প্রকাশ করা ভাল। প্রোফাইল ভারী করে কিংবা ছবি এডিট করে মেয়েদের পটাতে কিংবা প্রতারণা করতে এএসপি সাজতে যাবেন না। একদিন দুদিন সাতদিন হয়ত আপনার, কিন্ত শেষদিন আর আপনার থাকবেনা।
(লেখাটি সিআইডি’র এসপি মুহাম্মদ রেজাউল মাসুদের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া)
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



