
স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ জিততে হলে রেকর্ড রান তাড়া করতে হবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর তাড়া করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
২.৩ ওভারে দলীয় ১৫ রানে ট্রেন্ট বোল্টের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ড্যারেল মিচেলের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিনত হন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।
তিন নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে নামা মিসেল মার্শকে সঙ্গে নিয়ে দলকে খেলায় ফেরান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। দ্বিতীয় উইকেটে তারা ইতোমধ্যে ৫৪ বলে ৬৭ রানের জুটি গড়েছেন।
১০ ওভারের খেলা শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১ উইকেটে ৮২ রান। এই অবস্থায় নিউজিল্যান্ড সংগ্রহ করেছিল ১ উইকেটে মাত্র ৫৭ রান।
কেন উইলিয়ামসনের ব্যাটিং তাণ্ডবে বিশ্বকাপ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের রানের রেকর্ড। উইলিয়ামসনের ৪৮ বলে ১০টি চার ও ৩ ছক্কায় গড়া ৮৫ রানের সুবাদে ৪ উইকেটে ১৭২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে নিউজিল্যান্ড।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত ছয় আসরের ফাইনালে সর্বোচ্চ ১৫৫/৯ রান করে ইংল্যান্ড। ২০১৬ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে এই রান করেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে হেরে যায় ইংল্যান্ড।
রোববার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট তথা টি-টোয়েন্টিতে চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে হলে পাওয়ার প্লের ওভারগুলো কাজে লাগতে হয়। কিন্তু সেটা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩২ রান স্কোর বোর্ডে যোগ করে নিউজিল্যান্ড। পরের চার ওভারেও সেভাবে রান জমা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ১০ ওভার শেষে কিউইদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৫৭ রান।
দলের স্কোর মোটাতাজা করতে গিয়ে এরপর অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর রীতিমতো চড়াও হন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। মিচেল স্টার্কের করা ১১তম ওভারে তিন বাউন্ডারিতে ১৯ রান আদায় করে নেন তিনি।
১২তম ওভারে লেগ স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা এসে তুলে নেন ওপেনার মার্টিন গাপটিলের উইকেট। সেই ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫ রান করার সুযোগ পায় নিউজিল্যান্ড। তবে ১৩তম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১৬ রান আদায় করে নেন উইলিয়ামসন।
১৪তম ওভারে প্যাট কামিন্সের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ৫ রান আদায় করতে পারেন উইলিয়ামসন- গ্লেন ফিলিপস। ১৫তম ওভারে অ্যাডাম জাম্পাকে এক চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১২ রান আদায় করে নেন ফিলিপস।
১৬তম ওভারে মিচেল স্টার্কের ওপর ফের চড়াও হন কেন উইলিয়ামসন। সেই ওভারে ৪টি চার ও এক ছক্কা হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ ২২ রান আদায় করে নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। ১৭তম ওভারে প্যাট কামিন্স মাত্র ৮ রান খরচ করেন।
জশ হ্যাজলউডের করা ১৮তম ওভারের প্রথম বলটি ডট দেন ফিলিপস। দ্বিতীয় বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১৭.২ ওভারে দলীয় ১৪৪ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ১৮ রান করেন ফিলিপস।
ফিলিপস আউট হওয়র পর সেই ওভারেই জশ হ্যাজলউডের বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন কেন উইলিয়ামসন। দলীয় ১৪৪ রানে ৪৮ বলে ৮৫ রান করে ফেরেন তিনি।
উইলিয়ামসন আউট হওয়ার পর জেমস নিশাম ও টিম সিপার্ট ইনিংসের শেষ দিকে স্কোর বোর্ডে সেভাবে রান জমা করতে পারেননি। যে কারণে ৪ উইকেটে ১৭২ রানে ইনিংস গুটায় নিউজিল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৭২/৪ রান (কেন উইলিয়ামসন ৮৫,মার্টিন গাপটিল ২৮, গ্লেন ফিলিপস ১৮, জেমস নিশাম ১৩*, ড্যারেল মিচেল ১১, টিম সিপার্ট ৮*; জশ হ্যাজলউড ৩/১৬)।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


