
ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. ইফতেখারুজ্জামান জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে মেট্রোপলিটন অর্ডিন্যান্স আইনে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর ৮টি জোনে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। যারা ঘরের বাইরে বের হওয়ার উপযুক্ত কারণ দেখাতে পারেননি তাদের জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
লকডাউন কার্যকর করতে শুক্রবার ভোর থেকে রাজধানীর পাড়া-মহল্লার অলি-গলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়কে টহল জোরদার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এসব চেকপোস্টে পথচারী বা যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। মানুষ যেন অযথা ঘরের বাইরে ঘোরাফেরা করতে পারে, সেজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নিয়েছে।
প্রসঙ্গত, করোনা সংক্রমণরোধে বৃহস্পতিবার থেকে ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৭ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই লকডাউন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



