স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জুয়াড়িদের কাছে প্রস্তাব পাওয়ার পরেও আইসিসিকে না জানানোর কারণে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। তবে অপরাধ মেনে নেওয়ায় ১ বছরের শাস্তি স্থগিত করা হয়েছে।
যদি সাকিব এই এক বছরে অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকেন তাহলে তার শাস্তি বহাল থাকবে। এদিকে সাকিবের শাস্তি কমানোর ব্যাপারে আইসিসির কাছে আবেদন করার কথা ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বাংলাদেশী ক্রিকেট ভক্তরা অবশ্য এক্ষেত্রে আশায় বুক বাঁধতে পারেন। কেননা তাদের সামনে আছেন পাকিস্তানের তারকা পেসার মোহাম্মদ আমির। যিনি কিনা ২০১০ সালের আগস্টে লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিং করায় সব ধরণের ক্রিকেট থেকে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।
কিন্তু তিনি আইসিসি’র দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে ঠিকঠাকভাবে অংশ নেয়ায় তার শাস্তি ৬ মাস কমে যায়। এক্ষেত্রে সাকিবের অপরাধ গৌণ। সাকিবের শাস্তি কমতে পারে। এক্ষেত্রে সাকিবকে আইসিসির দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞার সময়ে আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের আইন বা কোনো দেশেরই দুর্নীতি বিরোধী আইন ভাঙা যাবে না।
সাকিবকে আইসিসির দিক নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষাকার্যক্রম ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় স্বেচ্ছায় ও পরিপূর্ণভাবে অংশ নিতে হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


