
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় এ নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী খসরু বলেন, ছোট মাছের সংখ্যা কমালে হ্রদে খাদ্যের মজুদ বাড়বে।
হ্রদের কার্পজাতীয় মাছের উৎপাদন ও গুণগতমান বাড়াতে সেখানে উৎপাদিত পোনা ছাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি কাপ্তাই হ্রদের অভয়াশ্রম এবং অবতরণকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতেও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান। হ্রদের অবৈধ মাছধরা ও বাইরে চোরাইপথে মাছ সরবরাহ রোধে চেকপোস্ট বাড়াতে বিএফডিসিকে নির্দেশ দেন তিনি।
কর্মশালায় বক্তারা লেকে মৎস্য চাষের উন্নত ব্যপস্থাপনার ওপর জোর দিয়ে বলেন, কাপ্তাই হ্রদে নিয়মিত কার্পজাতীয় মাছের পোনা ছাড়া হলেও দিন দিন তার উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি ছোট মাছের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক।এ হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের উৎপাদন ৮৫ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের উদ্যোগে দিলদার আহমদের সভাপতিত্বে ‘কাপ্তাই-হ্রদে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উন্নত ব্যবস্থাপনা এবং মৎস্য চাষ কলাকৌশল’বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আইআইইউসি বাংলাদেশ-এর উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী। বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসদান, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াসি উদ্দিন, যুগ্ম সচিব তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের ডিজি আবু সাইদ মো. রাশেদুল হক, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিজি ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ প্রমুখ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



