ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ২০২৩ সালের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর ফল মেধার ভিত্তিতে পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে এই প্রক্রিয়ায় যারা ইতিমধ্যে চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন, তাদের চাকরি বহাল থাকবে বলে আদালতের আদেশে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় দেন।
আদালত ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিলো। ওই সার্কুলার অনুযায়ী তৎকালীন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রায় ৮৪ শতাংশ কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে ১৫১ জন চাকরিপ্রার্থী হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন। ওই ১৫১ জন রিট পিটিশনারকে সহকারী শিক্ষক পদে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিটকারীদের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সুপ্রিম কোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায়ে বলা হয়েছে—সব ধরনের সরকারি নিয়োগে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ কোটা পূরণ করতে হবে। তাই ২০২৩ সালের ওই নিয়োগও মেধার ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
এর আগে চাকরিপ্রার্থীদের দায়ের করা ওই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ ২০২৩ সালের কোটাভিত্তিক নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন এবং রিটকারী ১৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সরকারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগে সেই আপিলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এই রায়ের ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ওই শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল এখন ৯৩ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে, তবে এতে ইতিমধ্যে যোগদান করা শিক্ষকদের চাকরিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



