
তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ চাল সংগ্রহ জোরদারের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও চাল আমদানি করা হবে। ২৫ শতাংশ কর আরোপ করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় শিগগির নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি করা হবে। বোরোতে কৃষকে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে গত ৩০ এপ্রিলের পর বেসরকারিভাবে চাল আমদানি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী। সভায় বেসরকারি পর্যায়ে শুল্ক কমিয়ে সীমিত পরিমাণ নন বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তিনি বলেন, প্রান্তিক কৃষক অনেক আগেই ধান বিক্রি করে দিয়েছেন। মিল মালিকরা বলছেন অতিরিক্ত লাভের আশায় কৃষক নন এমন অনেকেই ধান মজুদ করছেন। কেউ যদি অবৈধ মজুদ করে থাকেন তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষক ধানের নায্যমূল্য পেয়েছে। আমদানি করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করলে প্রকৃত কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। প্রতিনিয়ত কৃষি জমি কমছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্য চাহিদার সঠিক পরিসংখ্যান দরকার। সরকারি চাল সংগ্রহ বন্ধ না করে এর পাশপাশি যেসব দেশে চালের দাম কম সেখান থেকে চাল আমদানি করে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখা যেতে পারে।’
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, খাদ্য চাহিদার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলে বেশি আমদানি কৃষকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। আবার কম আমদানি ভোক্তার জন্য কষ্টের কারণ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশ আমাদের, কৃষির পাশপাশি শিল্প কারখানা বাড়িয়ে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেজবাহুল ইসলাম, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব তপন কান্তি বিশ্বাস, কৃষি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



