
ধোনি তখন ব্যাটিংয়ে নেমে আউট হয়ে গেলে আমাদের রান তাড়া করার সব সম্ভাবনা ওখানেই শেষ হয়ে যেতো।’
ম্যাট হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্টের তোপে পড়ে মাত্র ৫ রানেই টপ অর্ডারের সবচেয়ে বড় তিন ভরসা রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুলকে হারিয়েছিল ভারত। অনভিজ্ঞ মিডল অর্ডারকে সামলে দলকে জয়ের পথে রাখার জন্য ধোনির চেয়ে আদর্শ কেউ ছিলেন না ভারতীয় দলে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে পাঁচ নম্বরে ধোনিকে না নামিয়ে দিনেশ কার্তিককে নামায় ভারত। আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি কার্তিক, সাজঘরে ফেরেন মাত্র ৬ রান করে। এমনকি কার্তিক আউট হওয়ার পরেও ধোনিকে নামানো হয়নি, নামেন হার্দিক পান্ডিয়া।
শাস্ত্রী বলেন, ‘ইনিংসের পরের দিকে ওর অভিজ্ঞতার দরকার ছিল আমাদের। সে সর্বকালের সেরা ফিনিশার। তার ফিনিশিং দক্ষতা ব্যবহার না করাটাই বরং অপরাধের কাতারে পড়তো। পুরো দলই এ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানতো।’
ধোনির আগে পান্ত-পান্ডিয়াদের নামানোর সিদ্ধান্ত অধিনায়ক কোহলিরও মনঃপূত হয়নি বলেই গুঞ্জন আছে। বাঁহাতি স্পিনার মিচেল স্যান্টনারকে অযথাই উড়িয়ে মারতে গিয়ে যখন আউট হলেন ঋষভ পান্ত, তখন আর নিজের ক্ষোভ সংবরণ করতে পারেননি কোহলি। পান্ত আউট হওয়ার পর পরই কোহলি ড্রেসিংরুমের ভেতর থেকে গজগজ করতে করতে বেরিয়ে আসেন। টিভি ক্যামেরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে ধরে ফেলে। কোহলির মুখের ভঙ্গি আর কোচের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলা দেখে বোঝা গেছে, কোনো বিষয় নিয়ে সলাপরামর্শ করতে অন্তত যাননি। গিয়েছিলেন কোনো বিষয় নিয়ে নিজের ক্ষোভ জানাতে।
কোহলির ক্ষোভের উৎসটা কী, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হয়েছিল, পান্ত উইকেটে থাকতেই পান্ডিয়াকে নামিয়ে দেয়া নিয়েই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন অধিনায়ক।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



