জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই), এক কনস্টেবল ও পুলিশের এক সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনায় বরখাস্ত হয়েছেন দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজন।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানায় মামলা করেন নাঈম হাসানের ভাই সাব্বির হাসান। মামলার আসামিরা হলেন- এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল ও সোর্স সোহেল।
খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, অভিযানের বিষয়ে এসআই শফিকুল তাকে আগে থেকে কিছু জানাননি। থানায় আনার পর তিনি জানতে পারেন, যাকে আনা হয়েছে তিনি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান।
ওসি আরিফুর রহমান বলেন, বিষয়টি জানার পর নাঈমের কাছে দুঃখ প্রকাশ করা হয় এবং সম্মানের সঙ্গে তাকে থানা ত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়। তবে নাঈমের পক্ষ থেকে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। পরে নাঈমের ভাই সাব্বির হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর আসামি সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, আজ শনিবার (১৩ জুন) সকালে এসআই শফিকুল, কনস্টেবল রাসেল এবং আরেক কনস্টেবলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানান ওসি আরিফুর রহমান।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার ফ্লাইওভারের টোল প্লাজা এলাকায় নাঈম হাসানকে আটকের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



