
তিনি বলেন, ব্যবসায়ীক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়ে জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে তারা অবস্থান নিচ্ছে। জনগণকে অকারণে ক্ষিপ্ত করছে।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) করোনা শনাক্তে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উৎপাদিত কিট সংগ্রহ করেনি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করতে না পারলেও গণস্বাস্থ্যের কিটের নমুনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন-সিডিসির প্রতিনিধিরা।
এ বিষয়ে অধিদপ্তর বলছে, গণস্বাস্থ্যের উৎপাদিত কিট এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়ায় গবেষণা সমাপ্ত না করে তারা এই কিট কাউকেই হস্তান্তর করতে পারে না।
সারা বিশ্বেই সংকট রয়েছে করোনার কিটের। আবার যাও বা আছে সেসব কিটে শতভাগ সঠিক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ বিস্তর।
বিশ্বে করোনার দাপটের শুরু থেকেই কিট তৈরির চেষ্টা করে আসছে গণস্বাস্থ্যকেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সরকারের কাছে সেই কিট হস্তান্তরের ঘোষণা দেয় গণস্বাস্থ্য। তাদের দাবি, তারা শতাধিক ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে উদ্ভাবিত কিটে সঠিক ফল পেয়েছেন।
এরআগে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে কাজ করছে না গণস্বাস্থ্য।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



