সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২৮তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মাঝে বইছে উৎসবের হাওয়া, বর্ণিল আয়োজনকে ঘিরে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়কে সজ্জ্বিত ও আয়োজন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জোর প্রস্তুতি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন হতে ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।
গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো হবে। এসময় কেক কাটা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। এর পরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ মিলনায়তনে মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. তমিজ উদ্দিন এবং ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুর উপস্থিতিতে কেক কাটা, মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে কেন্দ্র করে আয়োজনগুলো সম্পূর্ণ করতে কয়েকটি কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব ড. ফুয়াদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপনে আয়োজক কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আসায় একটি ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় দিবসকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রেখে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গত বছরগুলোর তুলনায় ভিন্নভাবে পালন করা হবে। শিক্ষামন্ত্রীও ঢাকা ১৯ ও ২০ এর সংসদ সদস্য আগমনে সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যলয়ের শিক্ষার মানকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই ঢাকার অদূরে সাভারে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ এবং প্রান্তিক পর্যায়ে শিক্ষা পৌঁছে দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বর্তমানে মোট ৫টি অনুষদ এবং ১৭টি বিভাগে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



