
শনিবার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে ইউনিয়নের লেমুপালং মৌজার গহীনে শিল ঝিরি এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, গত তিন-চার মাস ধরে শিল ঝিরির বিস্তীর্ণ এলাকার প্রাকৃতিক বনের মূল্যবান নানা প্রজাতির গাছ কাটা চলছিল। কাটা সেসব গাছ ভাড়া করা হাতি দিয়ে টেনে ওই খাল ও ঝিরিগুলোতে মজুদ রাখা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মজুদকৃত গাছগুলো পাচার করতে এস্কেভেটর দিয়ে পাহাড় কেটে রাস্তা করা হয়। কোনো ধরণের অনুমোদন ছাড়া পার্শ্ববর্তী লোহাগাড়া উপজেলার চৌধুরী পাড়ার মোরশেদ নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন।
বন বিভাগ সূত্র জানায়, লেমুপালং মৌজায় হাতি দিয়ে প্রাকৃতিক বনের গাছ টানার খবর পেয়ে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা। শনিবার সকালে পুলিশের সহযোগিতায় ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় স্থানীয় জনতা ঝিরি এলাকায় গাছ টানা একটি পোষা হাতি আটক করে বন বিভাগের অভিযানিক দলকে সোপর্দ করে।
লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ আরিফুল হক বেলাল হাতি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বন থেকে আটক হাতি ও মাহুতকে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ে নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জব্দ করা গাছগুলোর ঘনফুট পরিমাপের কাজ চলছে। অবৈধভাবে হাতি দিয়ে গাছ টানা কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



