
এ বছর পাকিস্তান এবং রুয়ান্ডা দুই দলই ১৬টি করে ম্যাচ হেরেছে। তবে পাকিস্তান খেলেছে ২৭টি ম্যাচ, যেখানে রুয়ান্ডা খেলেছে ২৪টি ম্যাচ। পাকিস্তান ৯ ম্যাচ জেতার পাশাপাশি একটি ম্যাচ টাই করেছে এবং আরেকটি ম্যাচের ফলাফল হয়নি। রুয়ান্ডা তাদের ২৪ ম্যাচে জিতেছে ৮টি।
টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে জিম্বাবুয়ে ২৪ ম্যাচে ১৪ হার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। বাংলাদেশও সমান ১০টি ম্যাচ জিতেছে, তবে ১২টি হার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান সিরিজে বাংলাদেশ আরও ম্যাচ খেলবে, ফলে তাদের হারের সংখ্যা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩ ম্যাচে ১১ হার নিয়ে চতুর্থ স্থানে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫ ম্যাচে ১০ হার ও ১৪ জয় নিয়ে পাঁচে অবস্থান করছে। আফগানিস্তান ২১ ম্যাচে ৯ হার, ১১ জয় এবং একটি টাই ম্যাচ খেলে তালিকায় ছয়ে রয়েছে। একই অবস্থানে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, যারা ১৯ ম্যাচে ৯টি হেরেছে এবং একটি ম্যাচ ফলশূন্য হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া ও ভারত তুলনামূলক সফল বছর কাটিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ২১ ম্যাচে মাত্র ৪টি হেরেছে, বাকি ১৭টি ম্যাচে জিতেছে। ভারত ২৬ ম্যাচে ২২টি জয়ের বিপরীতে মাত্র ২টি হার দেখেছে।
আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া এবং ওমান পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে। ইন্দোনেশিয়া ২৭ ম্যাচে ১২ জয় পেয়েছে এবং ১৫টি ম্যাচ হেরেছে। ওমানও ২৭ ম্যাচে ১২ জয়ের বিপরীতে ১৪টি হার দেখেছে।
নেপাল ২৫ ম্যাচে ১১টি জয় এবং ১২টি হারের রেকর্ড নিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। নাইজেরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো দলগুলোর অবস্থাও পাকিস্তানের চেয়ে উন্নত। নাইজেরিয়া ২২ ম্যাচে ১২ জয় পেয়েছে এবং ১০টি ম্যাচ হেরেছে। যুক্তরাষ্ট্র ২৪ ম্যাচে ১১টি জয় এবং ১০টি হার নিয়ে বছর শেষ করছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



