Advertisement

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপের উন্মাদনায় কাঁপছে পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপ এলেই শুরু হয় বিভিন্ন দল, দেশ ও তারকা ফুটবলারদের প্রতি ভক্তদের উপচেপড়া ভালোবাসা এবং অন্ধ সমর্থন প্রকাশে অভিনব সব প্রচেষ্টা। এটি আবার গড়ায় সংঘাত, খুন ও জখমে।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা
এমন সব পরিস্থিতিতে অনেকের মনে আসতে পারে— আসলে বিশ্বের শীর্ষ ফুটবল দলগুলোর কার কত সমর্থক। কে কার চেয়ে এগিয়ে। এর সঠিক পরিসংখ্যান এখনো জানা নেই কারও।

তবে ভারতীয় ক্রীড়াবিষয়ক সাইট স্পোর্টসকিডা একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামের সমর্থকের সংখ্যায় কোন দলের কেমন জনপ্রিয়তা তা প্রকাশ করা হয়েছে।

তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে শীর্ষ জনপ্রিয়তার তালিকায় রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল। দ্বিতীয় অবস্থানে ফ্রান্স। এর পর পরই ইংল্যান্ড ও জার্মানির অবস্থান। আর ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আরেক লাতিন দেশ আর্জেন্টিনার অবস্থান পঞ্চম।

জরিপে দেখা গেছে, ফিফা র্যাং কিংয়ে শীর্ষ দেশ ব্রাজিলের সমর্থক দুই কোটি ৩৭ লাখ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের সমর্থক এক কোটি ৮৬ লাখ।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আধুনিক ফুটবলের রূপকার ইংল্যান্ড। সামাজিক মাধ্যমে তাদের জোরালো সমর্থক রয়েছে এক কোটি ৬২ লাখ। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানির ফ্যানের সংখ্যা এক কোটি ৩৫ লাখ।

দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার জোরালো সমর্থক এক কোটি ১৯ লাখ। পরের অবস্থানে রয়েছে পর্তুগাল।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের যে পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে তা বলা চলে আসল সমর্থকদের সংখ্যার ক্ষুদ্র একটা অংশ মাত্র। কেননা বিশ্বে প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী ফুটবলপ্রেমী। বিশ্বকাপ চলাকালীন এ সমর্থন সব ধরনের মাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়।

মাঠে মেসিরা জিতলেও মিস ক্রোয়েশিয়ায় পরাস্ত আর্জেন্টিনা-ভক্তরা!

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.