জুমবাংলা ডেস্ক : ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ আগামী ২০শে মে (বুধবার) দিবাগত রাতে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান।

রবিবার (১৭ই মে) দুপুরে, ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ মোকাবিলায় সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ঝড়টা বেশ শক্তিশালী ফলে ক্ষয়ক্ষতি হবে, তবে সেটা যাতে কম হয়, প্রাণহানি যাতে কম হয় সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুত রয়েছে। ৩০ ঘন্টার মতো সময় আছে সাইক্লোন সেন্টারে যাওয়ার। নারী, শিশু, প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। খাদ্য মজুদ রয়েছে পর্যাপ্ত। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে সামাজিক দূরত্ব মানার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে, আবহাওয়া অফিসে জানায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় আমফান উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে, তার পরিবর্তে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রবিবার (১৭ই মে) সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সবোর্চ্চ গতিবেগ ছিলো ঘন্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকুলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে গভীর সাগরে বিচরণ না করতেও বলা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


