
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে র্যাব সদর দফতর থেকে সাহেদকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের ৬২ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। সেখানে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে অভিযান।
র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাহেদের দেওয়া তথ্য মতে, ওই গোপন বাসা থেকে যে জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, তা দিয়ে সে ঋণ পরিশোধ করতো। ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ঘুরেও যখন টাকা পাচ্ছিল না তখন এসব টাকা পেয়ে অনেকই খুশি হতেন।
তিনি বলেন, তবে যখন এসব টাকা নিয়ে বিপাকে পড়তেন, বুঝতেন জালটাকা- তখন আবারও ভুক্তভোগীরা সাহেদের কাছে যেতেন। এরপর সাহেদ বলতো, আমি আপনাদের ঋণের টাকা পরিশোধ করেছি, আর এখন বলছেন এসব টাকা জাল। এখন কী করবেন, যান মামলা করেন আমার নামে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



