
এ বিষয়ে শিক্ষক আব্দুল কাদির বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দিন ভোটার তালিকায় জকিগঞ্জে নাম না পেয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তার স্ট্যাটাস শুন্য অর্থ্যাৎ মৃত বলে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানান। সমাধান হিসাবে আবেদন করতে বলতে তিনি ২০১৯ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তার সমাধান হয়নি। তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালের ১৫ জুন একই এলাকার পশ্চিম কসকনকপুরের ৯১২৮২০৬২৩৩৭৮ নং ভোটার মৃত্যু বরণ করলেও এখনো তার নাম তালিকাভুক্ত আছে, কিন্তু আমি জীবিত থেকেও আমাকে মৃত বলে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’
আক্ষেপ করে শিক্ষক আব্দুল কাদির বলেন, ‘২০০৮ সাল থেকে আমি মৃতই রয়ে গেলাম। জীবিত থেকেও জীবিত হতে পারলাম না।’
নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, একই এলাকার আব্দুল কাদির নামে অন্য একজন ব্যক্তি মারা যান। তথ্য সংগ্রহকারী ভুলক্রমে তার আইডি নম্বর উল্লেখ করে রিপোর্ট প্রদান করায় এমন ঘটনা ঘটেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদনান সাকিব বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: সমকাল
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



