গরম আর ভ্যাপসা আবহাওয়ার মধ্যে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হঠাৎ করেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যে দেশের আট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এতে বিশেষ করে নদীপথে চলাচলকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো আবহাওয়া তৈরি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলামের সই করা সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, এসব এলাকার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে কোথাও কোথাও বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
এ ধরনের আবহাওয়ায় সাধারণত নদীপথে ছোট নৌযানগুলো বেশি ঝুঁকিতে পড়ে। সে কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। নদীতে থাকা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে বাড়তি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
সকালের দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশে মেঘের আনাগোনা দেখা গেলেও অনেক জায়গায় এখনো গরমের তীব্রতা কমেনি। তবে দুপুরের পর হঠাৎ করেই কালো মেঘ জমে স্বল্প সময়ের ঝড়ো বৃষ্টি নামার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের কিছু এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনাও ঘটতে পারে।
আবহাওয়া বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সময়টায় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব পুরোপুরি সক্রিয় না হলেও স্থানীয়ভাবে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এমন স্বল্পস্থায়ী ঝড়ো আবহাওয়া তৈরি হচ্ছে। এতে কখনো তীব্র গরমের পর হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি দেখা দিচ্ছে, আবার কিছু সময়ের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে নগরজীবনেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং খোলা স্থানে কাজ করা শ্রমজীবী মানুষদের জন্য দুপুরের সময়টা কিছুটা ভোগান্তির হতে পারে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গায় অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুনঃ
বর্তমানে আবহাওয়ার পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। তাই পরবর্তী আপডেটের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া ঝড়ের সময় নদীপথে চলাচল না করাই নিরাপদ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



