বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর মনে করেন যে, বেশ কয়েকটি ব্যাংক টিকে থাকার সম্ভাবনা হারিয়েছে যদিও তাদের পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ফাহমিদা খাতুন অর্থনীতির পুনঃকৌশল নির্ধারণে গঠিত টাস্কফোর্সের সদস্য হিসেবে কাজ করছে।

তিনি মনে করেন যে, যেসব ব্যাংক লাইফ সাপোর্টের অধীন চলছে তা বন্ধ করে দেয়া উচিত। যদি ব্যাংকগুলোকে সবল বা দুর্বল এ ক্যাটাগরিতে ভাগ করে বারবার প্রচার করা হয় তাহলে সেটি অর্থনীতির জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না। ব্যাংকের তারল্য সংকট নিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে বেশ আলোচনা হচ্ছে।
আগস্ট মাসের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকে ওই সকল ব্যাংকের দুর্বল অবস্থা নিয়ে বারবার রিপোর্ট পেতে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যেন এ সকল ব্যাংক পুনরায় আগের জায়গায় ফিরে যেতে পারে।
লাইফ সাপোর্টে থাকা ব্যাংকগুলো বন্ধ করে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতির পুনঃকৌশল নির্ধারণে গঠিত টাস্কফোর্স’র সদস্য ড. ফাহমিদা খাতুন। মঙ্গলবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইনে আয়োজিত এক সেমিনারে একথা বলেন তিনি।
তবে, ব্যাংক বন্ধের বিপক্ষে অবস্থান ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিন্টুর। পরামর্শ দেন, দুর্বল ও সবল বলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আলাদা না করার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানান, ইসলামী ও ইউসিবিএল’র সংকট অনেকটা কেটেছে। তবে, সহায়তা দেয়ার পরও কয়েকটি ব্যাংকের বাঁচার সম্ভাবনা খুবই কম।
আহসান এইচ মনসুর জানান, নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। বরং মোবাইল ব্যাংকিং সেবাকে কীভাবে আন্তঃলেনদেন যোগ্য করা যায়, সেদিকেই বেশি মনোযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।