ইসলামাবাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা শেষ হয়েছে। এখন আগামী কয়েক ঘণ্টায় কী হবে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তবে আলোচনার আগে সবচেয়ে বেশি সরব থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

ইসলামাবাদে রোববার সকাল নয়টার দিকে আলোচনা আবার শুরু হওয়ার আশা করা হয়েছিল। কিন্তু এর আগেই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ঘোষণা দেন, ‘কোনো চুক্তি হয়নি’। এর অল্প কিছুক্ষণ পর তিনি পাকিস্তান ছেড়ে চলে যান।
ভ্যান্সের সংবাদ সম্মেলনে ফক্স নিউজের সাংবাদিক প্রেস্টন মিজেল জিজ্ঞেস করেছিলেন, আলোচনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না। জবাবে ভ্যান্স বলেন, ‘গত ২১ ঘণ্টায় কতবার কথা হয়েছে ঠিক মনে নেই। ছয়বার হবে, হয়তো ১২ বারও হতে পারে।’
ভ্যান্স জানান, প্রতিনিধি দল ট্রাম্প প্রশাসনের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে। তাদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ। সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, একটি মার্কিন প্রস্তাব এখনো টেবিলে আছে। ইরান চাইলে সেটি বিবেচনা করে জবাব দিতে পারে।
আলজাজিরা লিখেছে, কোনো একটি বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছাতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা করার ইতিহাস আছে। যেমন, ২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তির আগে দেশ দুটি কয়েক বছর ধরে আলোচনা করেছিল। তবে আগের আলোচনাগুলোর তুলনায় এবার অনেক বেশি জটিল বিষয় একসঙ্গে মেটানোর চেষ্টা হয়েছে। যুদ্ধের কারণে নতুন যেসব সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেগুলো এখন আলোচনার টেবিলে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি- হরমুজ প্রণালি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যমটি তাদের ওয়েবসাইটের লাইভ ব্লগে লিখেছে, কূটনীতির ঠিক উল্টো দিকটি হলো যুদ্ধে ফেরা। অবশ্য এখনো যুদ্ধবিরতি বহাল আছে, এর মেয়াদ আরও প্রায় ১০ দিন। ইসরায়েল ছাড়া পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চাইবে এই যুদ্ধবিরতি যেন পুরো মেয়াদে টিকে থাকে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


