যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউরোপের আটটি দেশ একযোগে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণেরই রয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন ও যুক্তরাজ্য ট্রাম্পের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। একই সঙ্গে তারা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনাকেও মিত্র সম্পর্কের পরিপন্থি বলে আখ্যায়িত করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের অগ্রাধিকার। এই অঞ্চলে সীমিত সামরিক উপস্থিতি বা কর্মকর্তাদের মোতায়েন কেবল স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে, যা কোনো দেশের জন্য হুমকিস্বরূপ নয়। এছাড়া, জাতিসংঘ সনদের অধীনে ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং সীমান্ত সংরক্ষণের ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করা যাবে না বলে জোর দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একাধিকবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেন এবং বিষয়টিকে জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তবে ডেনমার্ক রাজ্যের অধীনে থাকা আধা-স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চল কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। ২০২৪ সালে করা একটি জরিপে দেখা যায়, গ্রিনল্যান্ডের বেশিরভাগ মানুষ ডেনমার্ক থেকে স্বাধীনতা চাইলেও যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে ইচ্ছুক নয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


