
জুমবাংলা ডেস্ক : রঙ আর মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান দিয়েই বানানো হচ্ছে অরেঞ্জ পাউডার ড্রিংস। নেই মান পরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা। এভাবেই ৬ বছর ধরে ভেজাল ১০২টি পণ্য উৎপাদন করত শাওন কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্ট নামে রাজধানীর একটি প্রতিষ্ঠান। র্যাব, বিএসটিআই এবং নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অভিযানে ধরা পড়ে এ চিত্র।
টয়লেটে রাখা হয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ নাইট্রিক, সাইট্রিক ও ফলিক এসিড। সেগুলো মিশিয়ে বানানো হচ্ছে অরেঞ্জ পাউডার ড্রিংক, গ্লুকোজ, বারবিকিউ ও কাবাব মসলাসহ ১০৪টি পণ্য। এসব পণ্যে মেশানো হয় কাপড়ের রঙ। রাজধানী মাতুয়াইলে শাওন কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্ট কোম্পানিতে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, ভেজালের এমন মহোৎসব।
রোববার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১টা থেকে র্যাব-৩, বিএসটিআই ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালন করেন র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।
র্যাবের জেরার মুখে প্রতিষ্ঠানটির মালিক ভেজাল ও অনুমোদনহীন পণ্য উৎপাদনের দায় স্বীকার করেন।
র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু জানান, অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি জব্দ করা হয় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য। আর তাকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাত্র চার মাস আগে একই অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বিএসটিআইসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব পণ্য খেলে কিডনির সমস্যা, ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে।
রমজান উপলক্ষে অরেঞ্জ ড্রিংসের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় বেশি মুনাফা লাভের আশায় তারা মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল দিয়ে এসব তৈরি করছিল। তাদের ছিল না কোনো ল্যাব এবং ল্যাব টেকনিশিয়ান। এছাড়াও বিএসটিআইয়ের অনুমোদন থাকলেও ছিল না পরিবেশের ছাড়পত্র ও স্টক লাইসেন্স।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


