
গত ১৫ মার্চ তারিখ উল্লেখ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এই প্রত্যাহার ও নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, বিসিএস ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা সুলতানা ২০১৮ সালের ৩ মার্চ থেকে কুড়িগ্রাম জেলার ডিসির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ২০১৯ সালে কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানাকে বদলী করা হয়। তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক প্রভাবশারী কর্মকর্তার কারণে তার বদলীর আদেশ বাতিল করা হয়।
গত শুক্রবার মধ্যরাতে স্থানীয় সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পরে মাদক মামলায় সাজা দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আরিফুল ইসলামের অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের আরডিসি (সিনিয়র সহকারী কমিশনার) নাজিম উদ্দীন বাড়িতে ঢুকে তাকে পেটান। আর এনকাউন্টারে দেওয়ারও হুমকি দেন। জেলা প্রশাসকের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন লেখার কারণেই তার ওপর নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন আরিফুল।
কুড়িগ্রামের বাংলা ট্রিবিউনের জেলা প্রতিনিধি আরিফুলকে নির্যাতন এবং সাজা দেয়ার ঘটনায় দেশব্যাপী তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরের দিন শনিবার রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এ ঘটনার তদন্তে কুড়িগ্রাম যান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের কথা জানানো হয়। গত রোববার আরিফুল ইসলামকে জামিন দেয়া হয়। তিনি অবশ্য এখনো জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গতকালই এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের ডিসি মোছা. সুলতানা পারভীনকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



