Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গত ২৫ বছরে অবস্থান বদল হয়েছে চীনের। ১৯৯৬ সালে যখন তালেবান আফগানিস্তান দখল করেছিল তখন তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি চীন।

অথচ রোববার (১৫ আগস্ট) দ্বিতীয় বারের জন্য আফগানিস্তানে তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে সবার আগে সেই সরকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে তারা। কেন এই অবস্থান বদল চীনের।

কারণ হিসেবে উঠে আসছে তিনটি বিষয়। ১৯৯৬ সালে বিশ্বের শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে চীনের নাম ছিল না। সেই সময় তারা নিজেদের দেশের অর্থনীতি নিয়েই ব্যস্ত ছিল। ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিধর দেশ হিসেবে উঠে এসেছে চীন। তাই এই সময় তালেবান সরকারকে তাদের সমর্থনের প্রেক্ষাপট আলাদা বলেই মনে করছেন কূটনীতিবিদদের একাংশ।

শুধু বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ হিসাবে উঠে আসা নয়, অর্থনৈতিক দিক থেকেও অন্যতম শক্তিশালী দেশ চীন। এই মুহূর্তে চীনের অর্থনীতি ১৪ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি ডলার, যা ১৯৯৬ সালের তুলনায় প্রায় ১৭ গুণ বেশি। এশিয়া মহাদেশের একটি বড় এলাকায় নিজেদের ব্যবসার সম্প্রসারণ চাইছে তারা।

আফগানিস্তান দখলের আগে চীনে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে দেখা করেন তালেবান নেতারা। কূটনৈতিক মহলের মতে, তালেবানের এই হামলার পিছনে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে চীনের। এ বার তালেবান ক্ষমতা দখল করায় সেখানেও চীনের বাণিজ্যের বিস্তার অনেক বেশি হবে বলেই ধারণা কূটনৈতিক মহলের।

চীনের অবস্থান বদলের পেছনে সব থেকে বড় কারণ হিসাবে উঠে আসছে আমেরিকার সঙ্গে শত্রুতা। ২০ বছর ধরে আমেরিকার ছত্রছায়ায় ছিল আফগানিস্তান। এক এশীয় দেশে আমেরিকার এই প্রভাব চীনের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। তাই আমেরিকা আফগানিস্তান ছাড়তেই তালেবানি আগ্রাসনের পিছনে চীন মদত দিয়েছে বলেই মত কূটনৈতিক মহলের একাংশের। এবার তালেবান শাসন চলাকালীন চীনের কী ভূমিকা থাকে সে দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

সূত্র: আনন্দবাজার

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.