
প্রায় ১১শ’ কোটি টাকার এই বকেয়া আদায়ে সরকারের সক্রিয় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ মার্চ) বিএফইউজে সভাপতি ওমর ফারুক ও মহাসচিব দীপ আজাদ এক বিবৃতিতে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর বিএফইউজে’র সম্মেলনে ১০ম ওয়েজ বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেন। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারেও বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, সরকার ২০১৯ সালে ৯ম ওয়েজ বোর্ড দিয়েছে। কিন্তু মালিকপক্ষ এখনো তা অমান্য করে চলেছে। তাই তারা ৯ম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদের বকেয়া আদায়ে সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
ওমর ফারুক ও দীপ আজাদ আরও বলেন, বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশন ও অনলাইন গণমাধ্যমের বিকাশের ফলে প্রচুর কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে সত্য। কিন্তু মালিক নামের একটি শক্তি মেধাবী সাংবাদিকদের শ্রম শোষণের হাতিয়ার হিসেবে তা ব্যবহার করছে। বেতন বৈষম্যসহ নানা অনিয়মের কারণে টেলিভিশন সাংবাদিকদের জীবন এখন দুর্বিষহ। তারা টেলিভিশনে একটি অভিন্ন বেতন কাঠামো তৈরির জন্য সরকার ও টিভি মালিকদের সংগঠন এ্যাটকো’র প্রতি আহ্বান জানান তারা।
এ বেতন কাঠামো যাতে আগামী ১০ম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান।
বিবৃতিতে বিএফইউজে’র নেতারা সকল প্রতিষ্ঠানে ঈদের আগে বেতন-বোনাস ও বৈশাখী ভাতা পরিশোধের দাবি জানান।
এ বিষয়ে বিএফইউজে’র অন্তর্ভুক্ত সব সাংবাদিক সংগঠন পর্যবেক্ষণে থাকবে বলেও জানানো হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজন হলে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



